নয়াদিল্লি : করোনার কারণে ফের ভারত সফর বাতিল করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। চলতি মাসের ২৫ এপ্রিল ভারতে সফরে আসার কথা ছিল তাঁর। গত মার্চ মাসেই তাঁর ডাইনিং স্ট্রিট অফিসের তরফে বরিস জনসনের ভারতে আসার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও এর থেকে বেশি কিছু সেই সময় জানানো হয়নি।

তবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে ফের তাঁর এই ভারত সফর বাতিল করা হল বলে সোমবার একটি বিবৃতি দিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে।

সোমবার এই বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছেন যে, সারাদেশে যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে ফের ভারত সফর বাতিল করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আপাতত তিনি ভারতে আসছেন না। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসবেন তিনি। ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে দু-দেশের প্রধানমন্ত্রীই খুব শীঘ্রই এই বৈঠকে বসবেন বলে জানা গিয়েছে।

যদিও এরআগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর কাটছাঁট করে তিন দিন রাখা হয়েছিল। তবে পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সফর বাতিল করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জনসনের এই ভারত সফর নিয়ে বিরোধী পার্টির কাছে ব্যাপক চাপে ছিলেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করতে কেন তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করতে পারবেন না সেই বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছিল বরিস বিরোধীরা।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে। প্রতি বছর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়ে থাকে। এটাই রীতি। সেই রীতি মেনেই প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বরিস জনসনকে। আমন্ত্রণ পত্র গ্রহণও করেছিলেন তিনি। নির্দিষ্ট দিনে তিনি ভারতে আসবেন এটাই ঠিক ছিল।

তবে তাল কাটে করোনার নয়া স্ট্রেনের হদিশ মেলায়। ব্রিটেনে করোনার নয়া স্ট্রেনের খোঁজ মেলায় ভারত সফর বাতিল করেন তিনি । তাঁর ভারতে না আসতে পারা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলেন বরিস জনসন। মোদীর সঙ্গে ফোনে দুঃখপ্রকাশও করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.