লন্ডন: ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে মোদী সরকার তৈরি। আর ব্রিটেনে থাকা পাঁচ লাখ অনথিভুক্ত অভিবাসীকে বৈধভাবে বসবাসের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে তেমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন জনসন।

লন্ডনের মেয়র থাকাকালীন বরিস জনসন তৎকালীন সরকারের কাছে অভিবাসীদের নাগরিকত্বের বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সেই প্রস্তাব বাতিল করেন।

ব্রিটিশ সংবাদপত্র দি ইনডিপেনডেন্ট জানাচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর হাউস অফ কমন্সে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বরিস জনসন বলেন- ব্রিটেনে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের বৈধভাবে বসবাসের সুযোগ দিলে কী ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা ও অসুবিধা হতে পারে।

জনসনের দাবি, আইন মেনে চলা কিন্তু প্রয়োজনীয় নথিবিহীন পাঁচ লাখ মানুষকে ব্রিটেন থেকে তাড়িয়ে দিতে চাইলে তা আইনত অস্বাভাবিক বলেই বিবেচিত হবে।ব্রিটেনের এই ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসী মধ্যে রয়েছেন ভারতীয়, বাংলাদেশি, পাকিস্তানি সহ বিভিন্ন দেশের মানুষ। লন্ডনের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাংসদ রুপা হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা এখানে বসবাস করছেন, কাজ করছেন, কিন্তু বৈধ কাগজপত্র না থাকায় আমাদের অর্থনীতির অংশীদার হতে পারছেন না, তাঁদের জন্য আমরা কী পরিকল্পনা করছি, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বরিস জনসন আরো বলেন, আইন এরই মধ্যে তাঁদের থাকার অনুমতি দিয়েই রেখেছে। সঠিক কাগজ না থাকা পাঁচ লাখ মানুষ যাঁরা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়িয়ে বছরের পর বছর এখানে বসবাস করছেন, আমি মনে আইনিভাবে তাঁরা সঠিক অবস্থানেই আছেন। এই মন্তব্যের পরেই ব্রিটেনে থাকা অভিবাসীদের মধ্যে সাড়া পড়েছে। এবার তাঁরা সরাসরি ব্রিটেনে থাকতে চেয়ে আবেদন করতে পারবেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।