লন্ডন: দলের অভ্যন্তরে নেওয়া পছন্দের প্রার্থী হিসেবে প্রত্যাশিত জয়৷ তারপরেই ইংল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়ে গেলেন জনসন৷ আর কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব ছাড়ছেন থেরেসা মে৷ বুধবারেই তিনি রানির কাছে পদত্যাগ করবেন৷ ব্রেক্সিট ইস্যুতে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন৷ তাঁকে কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছিল৷

প্রাক্তন ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন বর্তমান বিদেশমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। দুই হেভিওয়েট নেতার লড়াই ছিল চরমে৷

আরও পড়ুন : প্রথমবার হাইকোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনে জয়জয়কার বিজেপির

বিবিসি জানাচ্ছে, ব্রেক্সিট ইস্যু অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদের কঠিন অংক বরিস জনসনকেই মেলাতে হবে। তাঁর হাতে সময় আছে তিন মাস সময়। এই ইস্যুতে থেরেসা সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছে জানাতেই ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টি তাদের নতুন নেতা হিসেবে বরিস জনসনকে বেছে নিয়েছে৷

বরিস জনসন লন্ডনের প্রাক্তন মেয়র৷ ব্রেক্সিট ইস্যুতে থেরেসা মে-এর অবস্থান নড়বড়ে হতেই ভোটের আয়োজন করে কনজারভেটিভ পার্টি৷ তাতে জনসনের পক্ষে ভোটের হার বেশি৷