স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই হাওড়ার বিভিন্ন গ্রন্থাগারে সংরক্ষণের জন্য প্রদান করা হল। বৃহস্পতিবার সাধারণ গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন উপলক্ষে হাওড়ার ১৫ টি গ্রন্থাগারে এইসব বই প্রদান করা হল। তাঁর জীবন সংগ্রাম থেকে শুরু করে কন্যাশ্রীর সফলতার মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম অনেক কিছু জানতে এবং শিখতে পারবে বলে উদ্যোক্তাদের আশা। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তী, মেয়র ডাঃ রথীন চক্রবর্তী, কলকাতা পুস্তক মেলার অধিকর্তা সুধাংশু শেখর দে সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনশিক্ষা প্রসার গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের নির্দেশে বৃহস্পতিবার হাওড়ায় উদযাপিত হয় সাধারণ গ্রন্থাগার দিবস। অনুষ্ঠানে এই বছরের জেলার শ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার সম্মান প্রদান করা হয় মাকড়দহ সারস্বত লাইব্রেরী ও শ্যামপুরের বাগান্ডা সাধারণ পাঠাগারকে। এদিন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সাধারণ গ্রন্থাগারের উপযোগিতা বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় শিক্ষক বিধায়ক ব্রজমোহন মজুমদার, বিধায়ক ডাঃ নির্মল মাজি প্রমুখ।

এদিন অনুষ্ঠানে রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর লেখা বই গ্রন্থাগারে রাখার মহৎ উদ্দেশ্যকে অভিনন্দন জানাই। উনি ৮৪ টি বই লিখেছেন। এই বই যদি রাজ্যের গ্রন্থাগারে রাখা যায় তাহলে ভালো হয়। মমতার বই রাখলে নতুন প্রজন্মের আকর্ষণ বাড়বে। তারা অনেক কিছু জানতে পারবে। উপলব্ধি করতে পারবে। নতুন প্রজন্মকে লাইব্রেরিতে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো দরকার।

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একসময় লাইব্রেরিগুলির হাল বেহাল হয়ে পড়েছিল। এখন সেগুলির হাল ফিরেছে। বইয়ের সংখ্যা বেড়েছে। সকলে যাতে গ্রন্থাগারমুখী হয় সেটাই চাই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.