স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: বিশ্ব উষ্ণায়ন বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করতে সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়ল বছর তেইশের ছাত্র ভেঙ্কটেশ প্রসাদ দাস৷ সাধারণ মানুষকে বিশ্ব উষ্ণায়ন বিষয়ে বুঝিয়ে তাদের হাতে সেগুন গাছের বীজ ও সিড পেন্সিল তুলে দিচ্ছেন৷

দিনে দিনে বেড়েই চলেছে উষ্ণতা৷ এর জেরে গলতে শুরু করেছে হিমালয়ের বরফ। এই উষ্ণায়নের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে একমাত্র গাছ। বেশি বেশি করে গাছ লাগানো হলে তবেই এই উষ্ণায়ন কমতে পারে। তাই এবার সাধারণ মানুষকে বিশ্ব উষ্ণায়নের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে সুদূর বনগাঁ থেকে সাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করল বছর ২৩-এর ছাত্র ভেঙ্কটেশ প্রসাদ দাস।

বারাকপুর রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে এই বছরই মাষ্টার ডিগ্রি শেষ করেছে বনগাঁর গোপালনগর এলাকার বাসিন্দা ভেঙ্কটেশ প্রসাদ দাস। ২৬ জুন সে যাত্রা শুরু করেছে৷ সাইকেল নিয়ে বনগাঁ থেকে নেপাল, ভুটান এবং মেঘালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে সে৷ পথেঘাটে সকলকে বোঝাবে উষ্ণায়নের খারাপ দিকগুলি৷

শুধু তাই নয় সকলের হাতে তুলে দেবে সেগুন গাছের বীজ ও একটি করে সিড পেন্সিল৷ ২৭ জুন বৃহস্পতিবার সে বহরমপুরে এসে পৌঁছায়। বহরমপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পথচলতি মানুষদের মধ্যে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে সচেতন করে৷ তারপর তাদের হাতে সেগুন গাছের বীজ ও সিড পেন্সিল তুলে দেন।

ভেঙ্কটেশ প্রসাদ দাস বলেন, ‘‘আমার মূল লক্ষ্য পরিবেশকে বাঁচানো৷ তাই পরিবেশকে বাঁচাতে গাছ লাগানো খুবই প্রয়োজন৷ সেই বার্তা নিয়ে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছি৷ আমি একজন ভূগোলের ছাত্র তাই খুব ভালো করে জানি পরিবেশ দূষণের কারণগুলি৷ যত দিন যাচ্ছে পরিবেশের উষ্ণতা বাড়ছে৷ এই কারণে ইতিমধ্যে অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে৷ এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েকশো বছরের মধ্যে মানুষও বিলুপ্ত হয়ে যাবে৷ তাই সাধারণ মানুষের কাছে গাছ পোতার আবেদন নিয়ে যাচ্ছি৷ কারণ গাছ কাটার ফলে আজ আমাদের পরিবেশের এই পরিস্থিতি৷ যদি আবহাওয়া ঠিক থাকে তাহলে আমার পুরো সফর সম্পূর্ণ করতে ২০ থেকে ২৫ দিন লাগবে৷’’