স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : ‘বোনকে দেয় বোন ফোঁটা বাড়তে থাকুক আয়ুটা। তোর কপালে দিলাম ফোঁটা সইলো ঘর ভরা সব বোনেরা জাগলো। বোনের কপালে বোনের ফোঁটা। বোনের ভালো বোনের ফোঁটা বাড়তে থাকুক তোর আয়ুটা।’

এমনি করে মন্ত্র উচ্চারনের মধ্যে দিয়ে পালন করা হল বোন ফোঁটা। তবে হ্যাঁ এটা কোনও সংস্থা নয়। একদল যুবতীরা দল বেঁধে ফি বছর বোনেদের মঙ্গল কামনায় এই ফোঁটার আয়োজন করে থাকেন । সেই মতো করোনা আবহে সামাজিক বিধি মেনেই এই ফোঁটার আয়োজন করা হয়েছে।

ভাই ফোঁটা নিয়ম মেনে সাধারণত পাজি পঞ্জিকা দেখে করা হয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে নিয়মটা একটু আলাদা প্রতিবছর এই রাশপূর্নিমার দিন বোনেদের মঙ্গল কামনায় এই বোন ফোঁটার আয়োজনা করা হয়। পাজি পঞ্জিকায় কোনও ব্রত বা নিয়ম নেই তাই মেয়েরা নিজেদের মঙ্গল কামনায় এই আয়োজন করে থাকে।

মালদহের ইংরেজবাজারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে এবার করোনা আবহে ভাই ফোটার রীতি মেনে চন্দন, কাজল,শিশির সহ নানা উপকরন দিয়ে এই বোন ফোঁটার আয়োজন করা হয়েছে। ছিল মিষ্টি মুখের আয়োজন। মেয়েরা নিজেদের উদ্যোগে বাড়ি থেকে লুচি মিষ্টি নিয়ে আসে।

উদ্যোক্তা সুদেষ্ণা মৈত্র বলেন, ভাইয়েদের মঙ্গল কামনার রীতি রয়েছে। তবে মেয়ে বোনরা অনেক জায়গায় অবহেলিত হয়। সেই দিকে নজর রেখে বোনেদের মঙ্গল কামনায় এই বোন ফোঁটার আয়োজন করা হয়। সেখানে লুচি,মিষ্টি পায়েস দিয়ে এই ফোঁটা দেওয়া হয়। যাতে বোনেদের মঙ্গল হয়। তাঁরা যাতে সমাজে সুরিক্ষিত ভাবে থাকতে পারে। আমরা চাই প্রত্যেকে এই ধরনের বোন ফোঁটা দিক। তাতে সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।