স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি (জোন ১) এর অফিসের সামনে বোমা ফেটে জখম হলেন এক সাফাইকর্মী সহ দুই ব্যক্তি৷ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় এস এন ব্যানার্জী রোডে৷ জখম সাফাইকর্মীর নাম সমীর বৈরাগ্য এবং জখম পথচারীর নাম জগন্নাথ সাহা। টিটাগড় থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিক এসিপি (জোন ১) ডাঃ কে কান্নানের অফিস৷ তাঁর অফিসের সামনে একটি ছোট পার্ক রয়েছে৷ বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের এক সাফাই কর্মী ওই পার্ক পরিষ্কার করছিলেন৷ তখনই ওই সাফাই কর্মীর হাতে থাকা কোদালের ঘা পড়ে লুকনো বোমার উপর৷ সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়৷

আরও পড়ুন: হিলি-মহেন্দ্রগঞ্জ করিডর নিয়ে উৎসাহী মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী

বিস্ফোরণে জখম হয় পার্কে কর্মরত ওই সাফাই কর্মী ও এক পথচারী। বিকট শব্দ শুনে এলাকায় লোক জড়ো হয়ে যায়৷ পাশাপাশি পুলিশ কমিশনারেট ডাঃ কে কান্নানও আসেন ঘটনাস্থলে৷ তাঁরাই জখম দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে প্রথমে বারাকপুর বিএনবসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ পরে আরজি করে স্থানান্তরিত করা হয় তাকে৷

আরও পড়ুন: সংগ্রামপুর বিষমদকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত খোঁড়া বাদশা সহ ৪

আরজিকর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শক্তিশালী ওই বোমার আঘাতে সমীর বৈরগ্যের পায়ে ও চোখের তলায় বোমের টুকরো ও মশলা ঢুকে যায়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক৷
জখম সমীর বৈরাগ্য বলেন, ‘আমি বুঝতে পারিনি৷ ওই পার্কের জঞ্জালের মধ্যে বোমা লুকানো ছিল। কিন্তু কোদাল দিয়ে জন্ঞ্জাল সরাতেই তীব্র শব্দে বিস্ফোরণ হল। আমি একটা চোখে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।’

বারাকপুর এস এন ব্যানার্জী রোডে ওই পুলিশ অফিসারের অফিসের সামনে কীভাবে এই বোমা এল৷ তা খতিয়ে দেখছে টিটাগড় থানার পুলিশ। স্থানীয় দুষ্কৃতীরাই বোমা ওই পার্কের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। টিটাগড় থানার পুলিশ তদন্তে নেমেছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে বোমা রেখেছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷