আগ্রা: বোমাতঙ্ক ছড়াল তাজমহলে। বৃহস্পতিবার এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি ফোন করে জানায় ঐতিহাসিক এই স্মৃতি সৌধের ভিতরে বোমা রয়েছে। এই খবর পাওয়া মাত্রই বন্ধ করে দেওয়া হয় তাজমহলের সমস্ত দরজা। তাড়াতাড়ি দর্শনার্থীদের বের করে দেওয়া হয়।

আচমকা বোমাতঙ্কের কারণে বন্ধ হয়ে গেল তাজমহল। বৃহস্পতিবার এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি ফোন করে জানায় তাজমহলের ভিতরে এক জায়গায় বোমা রাখা রয়েছে। উত্তর প্রদেশ পুলিশের দপ্তরে যায় সেই ফোন। এই খবর পাওয়া মাত্রই তৎপরতা শুরু হয়ে যায় নিরাপত্তা রক্ষীদের মধ্যে। বন্ধ করে দেওয়া হয় স্মৃতি সৌধের সমস্ত দরজা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। খবর দেওয়া হয় সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সকেও। পর্যটকদের নির্দেশ দেওয়া হয় তারা যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাজমহল থেকে বেরিয়ে যান।

পর্যটকদের বের করে দিয়ে গোটা তাজমহল জুড়ে শুরু হয় তল্লাশি। এক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, কোনও বোমা খুঁজে পাওয়া যায়নি। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল ইতিমধ্যেই সেটি ট্রেস করতে শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে উত্তর প্রদেশের ফিরোজাবাদ থেকে ফোন করা হয়েছিল। যদিও ওই ব্যক্তিকে এখনও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে তার সন্ধান চলছে।

আগ্রার ইন্সপেক্টর জেনারেল সতীশ গণেশ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে UP 112-তে ফোন করে এক ব্যক্তি জানান তাজমহলে বোমা বিস্ফোরণ হতে চলেছে। খবর পাওয়া মাত্রই বোম্ব স্কোয়াড ও একটি দল তাজমহল রওনা দেয়। তাজমহলের সমস্ত এলাকায় তল্লাসি চালায় তারা। তবে তল্লাশি শেষে জানা যায় স্মৃতি সৌধে কোনও বিস্ফোরক বা তেমন কোনও পদার্থ পাওয়া যায়নি।

এই স্মৃতি সৌধ ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ দেখাশোনা করে। এর নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF)। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে প্রায় ৬ মাস বন্ধ ছিল তাজমহল। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে করোনা বিধি মেনে এর দরজা পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এই স্মৃতি সৌধে প্রতি বছর প্রায় ৭০ লক্ষ পর্যটক ভিড় জমান। তাজমহল ছাড়া আগ্রা ফোর্টের মতো আগ্রার অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলিতেও ভিড় জমান পর্যটকরা। এই পর্যটন শিল্প থেকেই উত্তর প্রদেশ সরকার মোটা অঙ্কের টাকা আয় করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।