প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: দিনেদুপুরে গুলি করে তৃণমূল নেতাকে খুন করল দুষ্কৃতীরা৷ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাইক নিয়ে মুর্শিদাবাদের প্রদীপডাঙ্গা এলাকায় যাচ্ছিলেন হরিহরপাড়ার হুমায়পুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউল হাসান (৪৫)।

মাঝপথেই তাঁর ওপর হামলা চলে বলে অভিযোগ৷ প্রদীপডাঙ্গা এলাকায় বাইক লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। সেই বোমা লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সেখান থেকে কোনওক্রমে পালাতে যান সফিউল হাসান৷ তখন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। শেষরক্ষা হয়নি৷ ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

এই ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। এলাকার প্রভাবশালী যুব নেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন সফিউল হাসান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সফিউল হাসান নিজের বাড়ি হরিহরপাড়া থানার লালনগর থেকে বাইকে চেপে হরিহরপাড়া বাজারের দিকে যাচ্ছিল। পথে প্রদীপডাঙ্গা মোড় এলাকায় প্রায় ৭-৮জন দুষ্কৃতী একটি মারুতি ভ্যান নিয়ে এসে তার পথ আটকায়।

এরপর ওই দুষ্কৃতীরা তৃণমূল নেতাকে বাইক থেকে নামিয়ে প্রথমে বোমা মারে, বোমা লক্ষভ্রষ্ট হলে সেখান থেকে পালাতে চেষ্টা করে সফিউল হাসান, সেই সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতিরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই তৃনমূল নেতার৷

আরও পড়ুন : অনাস্থাকে চ্যালেঞ্জ, মুকুলের পরামর্শেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ সব্যসাচী

উল্লেখ্য মৃত তৃণমূল নেতার স্ত্রী আরদোসা বিবি হরিহরপাড়া থানার হুমাইপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান বলে জানা গিয়েছে। দিনে দুপুরে এই খুনের ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনার পরে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

গোটা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। কি কারনে খুন তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। গত লোকসভা নির্বাচনে এই নেতার প্রভাবে এলাকার বিরোধীরা কোনও রকম ভোট করতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ তারপর থেকেই নিশানায় ছিল সফিউল হাসান৷