গোসাবা: বিধানসভা ভোট শিয়রে। তার আগে ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। শুক্রবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগণার গোসাবায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বোমা ফেটে এলাকারই ৬ বিজেপিকর্মী গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন। জখম ৬ বিজেপি কর্মীকে ক্যানিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত গোসাবা। স্থানী সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর বিকট শব্দে রাতে গোসাবার বাদামতলা এলাকা। বোমা ফেটে জখম হন এলাকারই ৬ বিজেপিকর্মী। প্রত্যেকেরই গুরুতর চোট লাগে। মুহুর্তে হুলস্থূল পড়ে যায় গোটা এলাকায় । আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন দেন এলাকাবাসী। বোমা ফেটে জখম হওয়া ৬ জনের মদ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। বোমা বাঁধতে গিয়ে আচমকা ফেটে গিয়েই বিপত্তি, প্রাথমিক তদন্তে এমনই অনুমান পুলিশের। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এদিকে, আহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তাঁদের পরিবারের ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে এলাকার তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়েছে। যদিও অভিযোগ নস্যাৎ করেছে রাজ্যের শাসকদল। বোমা বাঁধতে গিয়েই আচমকা তা ফেটে যায়। বোমা ফেটেই ওই বিজেপিকর্মীরা জখম হয়েছেন বলে দাবি এলাকার তৃণূল নেতৃত্বের। যদিও দলের ৬ কর্মীর বোমার আঘাত নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব।

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ খতিয়ে দেখতে শুক্রবার রাতেই রাজ্যে এসেছেন দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক।কমিশনের পাঠানো এই দুই পুলিশ পর্যবেক্ষকের কথা হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের সঙ্গেও। বাংলায় আসন্ন বিধানসভা ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে তৎপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই লক্ষেই এগোচ্ছে কমিশন।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের জেলায়-জেলায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্থানীয় পুলিশকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জেলা-জেলায় চলছে রুটমার্চ। একইসঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতেও তৎপরতা নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আগামী ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজ্যে ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।