স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শুরুটা হয়েছিল ছোট স্টেজ প্রোগ্রাম দিয়ে। পরে ইন্টারনেটের দৌলতে যা ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন মহলে।
এই ভাবেই এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন কণ্ঠশিল্পী ইমন লিপি। টালিগঞ্জের বাসিন্দা ইমন লিপি সঙ্গীতের জগতে প্রবেশ করেছিলেন ছোটবেলায়। নানাবিধ চড়াই উতরাই পার করে এখন সাফল্যের দিকে অনেকটাই অগ্রসর হয়েছেন তিনি।

সিঙ্গেল ট্রাকের চাহিসা বর্তমান সময়ে কমে গেলেও জিঙ্গেল বা বিভিন্ন ফিল্মের গান এবং কভার বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে চলেছে। এই পথে হেটেই সাফল্য পেয়েছেন ইমন। ২০১০ সাল থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত করে ফেলেছিলেন সংগীতচর্চায়। প্রতিনিয়তই বিভিন্ন জিঙ্গেল এর পাশাপাশি অনেক স্টেজ শো করেছেন।

এপার বাংলার পাশাপাশি পদ্মাপারেও জমে উঠেছে ইমনের পসার। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ইমরানের গানের মিউজিক ভিডিও-র সঙ্গে কাজ করেছেন টালিগঞ্জের ইমন লিপি।

ওপার বাংলার জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ইমরানের ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ কণ্ঠ মেলালেন এপারের ইমন৷ ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ গানটি কভার করে নতুন ভাবে মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছেন তিনি৷ গানটি টিজারটি ইউটিউবে প্রকাশ হতেই ইতিমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে৷ গানটি নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন কলকাতার অতনু মিত্র৷ মিষ্টি প্রেম কাহিনীর কভার গানটির মিউজিক ভিডিও তৈরি করছেন পাপান৷ ইমনের সঙ্গে মডেল হয়েছেন অরিজিৎ৷

১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’কে সামনে রেখেই শনিরার মিউজিক ভিডিওটি আত্মপ্রকাশ করেছে৷ প্রথমদিনেই গানের ভিডিওচি বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে এপার এবং ওপার বাংলার মানুষে মধ্যে৷ এক সাক্ষাৎকারে বাংলার এই উঠতি সঙ্গীত শিল্পী বললেন, ‘ইমরানের গানটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। তাই গানটি নতুন করে সংগীতায়োজন করে নারীকণ্ঠে কভার করি। খুব সুন্দর একটি মিষ্টি রোমান্টিক গল্পে মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছি। আশা করি সবার কাছেই বেশ ভালো লাগবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।