কলকাতা: নায়িকার ‘মুক্তি’ পর্দায়। নিজেকে খুঁজে পায় সে ক্যামেরার পিছনে। মেকআপের তুলিতে মেলে সোহাগের ছোঁয়া। কিন্তু এসব থেকে দূরে, এতদিন সংসারের বন্দি ছিলেন তিনি। তবে সময় এসেছে ‘মুক্তি’র। লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের দুনিয়ায় ফিরছেন রাখি গুলজার। তবে পুরনো মেঠো রাস্তায়! যেখানে রয়েছে খানিকটা ভালোবাসা। কতকটা হারিয়ে যাওয়া সময়।

একসময় মতি নন্দির ‘মুক্তি’ দিয়ে বাংলা সিনেপর্দায় সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন রাখি। আর সেই কাহিনি দিয়েই অবসর ভাঙছেন অভিনেত্রী। তবে এবার ভাষা হিন্দি। বদলে গিয়েছে সিনেমার নামও। ‘মুক্তি’র পরিবর্তে ‘নির্বাণ’। নায়িকার কথায়, ” ছবির নাম যাই রাখা হোক না কেন! হিন্দিতে মতি নন্দীর সিনেমা তৈরি হচ্ছে শুনেই নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। তাই ছবির প্রস্তাব আসা মাত্রই হ্যাঁ করে দিলাম”।

তবে ‘মুক্তি’ বল বা ‘নির্বান’, লেখকের দেওয়া গল্পের নাম দুটির একটিও নয়! আসল গল্পের নাম ছিল ‘বিজলীবালার মুক্তি’। যে কাহিনির নায়িকা বিজলী। যে নিঃসন্তান। বাড়িতে তাঁর টিভি নেই। খবরের কাগজও আসে না। এমনকি ফোনও নেই। কিন্তু গ্রামের প্রতিটি মানুষের সঙ্গে তাঁর খুব ভাব। প্রত্যেকের বাড়ি যায় সে। আসলে আত্মীয় বলতে এক দাদা থাকলেও, বিজলী আপন বলতে ছিল গ্রামবাসীরা। বাঁধা ধরা ছকের বাইরে এক অন্য রকম সংসার ছিল বিজলীর।

যে সংসারের গৃহীনি বিজলি। হিন্দু নিয়মআচার মেনে চলা রমণী। যে রোজ নিষ্ঠা ভরে পুজো করে। বাড়ির ভাটারে বউ মারা গেলে ঘুঁটের আগুন খোঁজে। কিন্তু এদিকে তাঁর দু’বছরের ছেলেটিকে গলায় চাবি ধাঁধতে দেয় না! পাছে সে চাবি খেয়ে! ফেলে এই ভয়ে। এমন করেই চলছিল বিজলীর দিন গুলো। কিন্তু একদিন বৃহস্পতিবারে ঘটে এমন এক কাণ্ড যার পর সব ওলট-পালট হয়ে যায়! এক মুসলিম মেয়ের মিথ্যায় নিজেকে পাপী মনে করতে শুরু করে সে। খুঁজতে থাকে মুক্তির পথ। শেষেমেশ কী সে পাবে মুক্তি! যা এই কাহিনির মূল আকর্ষণ।

আগামী মে মাসে হিন্দি ‘মুক্তি’র ডাবিংয়ের জন্য কলকাতায় আসছেন মিসেস গুলজার। পুরো কাজটি শেষ হলে প্রায় দেড় দশক পর সেলুলয়েডের পর্দায় দেখা যাবে রাখিকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।