মুম্বই: চলতি বছরে একের পর এক খারাপ খবর। প্রয়াত আরও এক অভিনেতা। চলে গেলেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা জগদীপ।

এই নামেই সবাই চিনত তাঁকে। তবে তাঁর আসল নাম সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ জাফরি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

বুধবার রাত ৮ টা ৪০ মিনিটে নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অন্তত ৪০০ হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে আছে ‘শোলে’, ‘আন্দাজ আপনা আপনা’, ‘নাগিন’ সহ একাধিক ছবি। শোলে ছবিতে সুরমা ভোপালির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। পরে ‘সুরমা ভোপালি’ নামে একটি ছবিতেও অভিনয় করেন।

তাঁর দুই দুই ছেলে জাদেভ জাফরি ও নাভেদ জাফরি।

এদিন তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন একাধিক বলি তারকা। জনি লিভার, অজয় দেবগন, মনোজ বাজপেয়ী সহ অনেকেই ট্যুইট করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁকে।

উল্লেখ্য, মাস কয়েক আগেই প্রয়াত হন বলিউডের আরও এক বর্ষীয়ান অভিনেতা ঋষি কাপুর। তাঁর মরত্যুর ঠিক আগের দিনই মৃত্যু হয় আরও এক জনপ্রিয় বলি অভিনেতা ইরফান খানের। দু’জনেই বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। এর পর আত্মঘাতী হন্ সুশান্ত সিং রাজপুত। তাঁর মৃত্যু এখনও বাকরুদ্ধ করে দিচ্ছে সিনেমাপ্রেমীদের। এবার আরও এক বলি অভিনেতার মৃত্যু।

জনি লিভার জানিয়েছেন, তাঁর প্রথম ছবিতে প্রথমবার ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন জগদীপের সঙ্গে। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

মনোজ বাজপেয়ী লিখেছেন, ছেলেবেলা থেকে জগদীপ সাহাবের সিনেমা দেখেছেন তিনি। তাই তাঁকে সবসময় মনে রাখবেন।

তুচার কাপুর শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, ‘লক্ষ লক্ষ মানুষ বড় হয়েছে জগদীপ সাবের সিনেমা দেখে। সিনেমায় এভাবে হাসানোর জন্য ধন্যবাদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।