স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নারদকাণ্ডের তদন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব পেয়ে শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর সঙ্গেই এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন বন্ধু শোভন চট্টোপাধ্যায়ও৷ বৈশাখীকে দীর্ঘ প্রায় সাত ঘন্টা জেরা করা হয়৷

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে৷ এরই মাঝে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, স্বামী শোভনকে না জানিয়েই অনেকগুলি কোম্পানি খুলেছিলেন শোভন পত্নী রত্না চট্টোপাধ্যায়৷ সেই কোম্পানিগুলির মালিক একা রত্না চট্টোপাধ্যায় নন, সঙ্গে রয়েছেন রত্নার বন্ধু অভিজিৎ-ও৷

 

ইডি দফতর তেকে বেড়িয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘নারদকাণ্ডে প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে আমার কাছ তেকে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়৷ আমি যা জানি তা বলেছি৷ আগামীতে তদন্তে প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করব৷’’

রত্না চট্টপাধ্যায়ের কোম্পানিগুলির বিষয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কী জানেন? নারদার টাকার সঙ্গে এই কোম্পানিগুলির কী কোনও যোগ রয়েছে? ইডি এদিন শোভন বান্ধবী বৈশাখীর থেকে সেবিষয়েও জানতে চান বলে সূত্রের খবর৷ জেরা শেষে বৈশাখী সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘সেবিষয়ে আমার কাছে আরও তথ্য রয়েছে৷ পরে তা তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেব৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।

Comments are closed.