মেয়েদের মধ্যে নিজেদের সৌন্দর্য সচেতনতা খুব প্রবলভাবে দেখা যায়৷। তবে এই আধুনিক যুগে ছেলেরাও কোমর বেঁধে শরীরকে একটা সুন্দর শেপ দিতে উদ্যম৷ নগরায়ন কর্পোরেট পেশা এবং নানান কারণে দেহের আকার ঠিক থাকে না। কিন্তু আবার দেহের আকৃতির সঙ্গে শরীর, স্বাস্থ্য ও মন সবই জড়িত। তাই যারা একটু স্বাস্থ্য সচেতন ও ‘ফিট’ থাকতে চান তাদের কাছে মেদ বেড়ে যাওয়াটা একটা মারাত্বক সমস্যা৷ আর ফ্যাশন সচেতনদের কাছেও ভুঁড়ি হল এক বিড়ম্বনা।
শার্ট ইন করে পরলেই বা শাড়ি পরলে সব কিছু ছাপিয়ে বেড়িয়ে আসছে ভুঁড়ি। কিংবা একটু ফিটিংস্ ড্রেস পরেছেন, এই ভুঁড়িতে আপনার সব স্টাইলে একেবারে জল৷ আর অন্যদিকে মেদভুঁড়িদের তো মারাত্বক একটা স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছেই৷ সব মিলিয়ে কিরকম একটা অসস্তিকর ব্যাপার! তাই যদি আপনি আপনার শরীরকে একটা সুন্দর শেপ দিতে চান তাহলে কিছু সহজ জিনিস মেনে চলুন৷

১. নিয়ম করে পরিমিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। খাবার তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া বাড়ান৷ আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাবার খুবই কম খান৷ ভাজাভুজি বা ফাস্টফুড সম্পূর্ণ বর্জন করুন।
২. খাবার খাওয়ার শুরুতেই এক থেকে দুই গ্লাস জল পান করুন৷ খাবারের শেষে অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা পর জল পান করুন। মাংস, মিষ্টি, ঘি, ডালডা, ডাল ও ডাল জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন৷
৩. সুস্বাস্থ্য ও সঠিক ফিগারের জন্য নিয়মিত ঘুমের ভীষণ প্রয়োজন৷ দিনে ঘুমোনোর অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন৷
৪. ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন৷ সকালে স্কুল, কলেজ বা অফিসে যাওয়ার আগে ভাল করে স্নান সেরে নিন৷
৫. দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেরা সোজা ও সঠিকভাবে করার চেষ্টা করুন৷ মনে রাখবেন চলাফেরা ও কাজের ক্ষেত্রে শরীরের অবস্থানগত ভুলের কারণে বহু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বসা, শোওয়া, ও দৈনন্দিন বা প্রফেশনাল কাজে কোন শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের চিকিৎসা ও পরামর্শ অবশ্যই নিন আর নিজেকে রাখুন একদম ফিট ও সুন্দর৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও