স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: প্রাচীন বাংলার রাজা শশাঙ্কের সময় যে বাইচ প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছিল, এখনও তা সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয় মালদহের ইংরেজবাজার থানা এলাকার যদুপুরে৷ লক্ষ্মী পুজোকে কেন্দ্র করে এই বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এখানে৷

 

এই বছর সেই বাইচ প্রতিযোগিতার সূচনা করেন ইংরেজবাজারের বিধায়ক তথা পুরসভার চেয়ারম্যান নিহাররঞ্জন ঘোষ৷ এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ডিআইজি অমর কুমার একাকা৷ প্রাচীন কাল থেকেই এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় মেলা বসে আসার রীতি রয়েছে৷ সেই মেলায় হাজার হাজার লোকের সমাগম ঘটে৷

৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। গৌড় ছিল সেই সময় বাংলার রাজধানী। বর্তমানে যা ইংরেজবাজারের অধীনস্থ। সেই সময় লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন বাংলার রাজা শশাঙ্ক। তৎকালীন বাংলায় এই প্রতিযোগিতায় অবিভক্ত দুই বাংলার বহু দল নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকত। কালের নিয়মে এখন এই প্রতিযোগিতার বহর কমেছে৷ অধুনা বাংলাদেশ থেকে আর আসে না প্রতিযোগীরা। তবে শশাঙ্কের সূচনা করা সেই নৌকা বাইচ এখনও বেশ জনপ্রিয়।

ইংরেজবাজারের যদুপুর-রায়পুর এলাকায় প্রতি বছর এই বাইচ প্রতিযোগিতা হয়। এই বছর সেই বাইচ প্রতিযোগিতার সূচনা করেন ইংরেজবাজারের বিধায়ক নিহাররঞ্জনবাবু। এবারের বাইচ প্রতিযোগিতায় মোট ১১ টি দল অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতা ঘিরে এলাকায় বসে মেলা৷ তিন দিন ধরে চলে সেই মেলা। মেলা ঘিরে নদীর তীরবর্তী এলাকায় বহু মানুষ ভিড় জমান এখানে। তবে উৎসাহ কমলেও রীতি ও নিয়ম এখনও বর্তমান। আর সেই টানেই ৮ থেকে ৮০-র ভিড় এখনও বর্তমান৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও