ফাইল ছবি

ঢাকা: নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে শাসক ও বিরোধী তরজা ততই বাড়ছে৷ এবার খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিযোগ, ভোটের সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে লন্ডন থেকে পুলিশ হত্যা ও টাকা দিয়ে কিনে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে৷ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত ৮৮ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এই কথা বলেন তিনি।

নাম না করে বিএনপি নেত্রী তথা কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধেই আঙুল তুলেছেন শেখ হাসিনা৷ কারণ তারেক রহমান লন্ডনে থাকেন৷ তাঁর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে৷ এবার উঠল পুলিশ বাহিনীর কর্তাদের ষড়যন্ত্র করে সরিয়ে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ৷

পড়ুন: রাফায়েল ইস্যুতে পাকিস্তানের মত কথা বলছেন রাহুল গান্ধী

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় গিয়েছে৷ এতে তাঁর কারাদণ্ডের সাজা হয়েছে৷ ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকায় তৎকালীন বিরোধী নেত্রী শেখ হাসিনাকে একাধিক গ্রেনেড ছুঁড়ে খুনের চেষ্টা করে জঙ্গি সংগঠন হুজি-বি৷ এই হামলায় অনেকের মৃত্যু হয়৷ অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন হাসিনা৷ রায়ে বলা হয়েছে, তারেক রহমান ছিলেন গোটা ঘটনার নেপথ্যে৷ ক্ষমতায় তখন তাঁর মা খালেদা জিয়া৷

বৃহস্পতিবার পুলিশের প্রাক্তন উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, যে অশুভ শক্তি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে সাধারণ মানুষের ওপর আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছিল তারা আবার ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন প্রাক্কালে দেশে সে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, লন্ডন ভিত্তিক এক অপরাধীর বুদ্ধি-পরামর্শে এ অশুভ শক্তি দুটি পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। একটি হলো পুলিশের একটা অংশকে কিনে নেওয়া এবং অপরটি হলো কিছু সংখ্যক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাদের হত্যা করে পুলিশ বাহিনীর মনোবল দুর্বল করা।

পড়ুন: ‘পরমাণু অস্ত্রের শক্তিতে পাকিস্তানের দৌড় ভারতের জানা আছে’

শেখ হাসিনা বলেন, এখন যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতার ব্যাপারে পুলিশ বাহিনীর ওপর মানুষের অগাধ আস্থা রয়েছে।