ঢাকা: দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তির দাবিতে এর আফে বিএনপির নানা কর্মসূচি ব্যর্থ হয়েছে। চলতি বছর শুরুত থেকেই নানা উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।

বিএনপির আবেদন করে “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ‍মুক্তি ও হৃত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার সংগ্রামে সকলকে নতুনভাবে ব্রতী হতে হবে। আমাদের কর্মে নতুন বছরটি যাতে সাফল্য ও সমৃদ্ধির বছরে পরিণত হয় সেই লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।”

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাগারে যান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শনিবার তাঁর কারাবাসের দু’বছর পূর্ণ হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লিগের বিরুদ্ধে। অভিযোগ এনেছিল বিএনপি-সহ একাধিক দল। নির্বাচনে জয়ী হয় শেখ হাসিনার আওয়ামী লিগ। পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হন বঙ্গবন্ধু কন্যা। নির্বাচনের আগেই জেলবন্দি হল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। বহু আন্দোলনের পরেও মুক্তি দেওয়া হয়নি খালেদা জিয়াকে।

কয়েক মাস ধরেই বিএনপি নেত্রী অসুস্থ। জেলের ভেতরেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এছাড়া রয়েছে গত নির্বাচনের পরাজয়। তবু ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ১৩ বছর বছর ধরে ক্ষমতার বাইয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে পুরনো ব্যর্থতা ভুলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোই তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জোরাল আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি। দলীয় কর্মিদের মতে সরকারের কঠোর অবস্থান ও খালেদা জিয়ার নির্দেশনা মেনেই রাজপথের আন্দোলন থেকে দূরে রয়েছেন তারা।

বিএনপি সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের, সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকারের মনোভাব বিঝতে চায় বিএনপি। খালেদা জিয়াকে দ্রুত বাংলাদেশ সরকার মুক্ত করবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।