নয়াদিল্লি : আবার আকাশে ব্লু মুন দেখার সুযোগ আসতে চলেছে। ৩১শে অক্টোবর রাতে আকাশে দেখা মিলবে ব্লু মুনের। শুনতে বেশ ইন্টারেস্টিং লাগলেও, এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। ব্লু মুন কিন্তু পূর্ণিমার চাঁদ ছাড়া আর কিছু নয়। তবে কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য এর রয়েছে।

জানা গিয়েছে সাধারণত কোনও মাসে যদি দুবার ফুল মুন অর্থাৎ পূর্ণিমা পড়ে, তবে দ্বিতীয় বা শেষ পূর্ণিমাতে দেখা পাওয়া যায় ব্লু মুনের। অক্টোবর মাসের পয়লা তারিখ ছিল পূর্ণিমা। ৩১শে অক্টোবর ফের পূর্ণিমা পড়েছে। তাই এই সুযোগ মিলতে চলেছে। বছরে ১২টি পূর্ণিমা হয়। প্রতি মাসে একটি করে। ইংরাজিতে প্রতিটি পূর্ণিমার একটি করে নাম রয়েছে। বিভিন্ন দেশীয় ও উপজাতির সংস্কৃতিকে মাথায় রেখে এই নামকরণ করা হয়েছে।

ব্লু মুন সাধারণত কোনও মরসুমের তৃতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে বলা হয়। বসন্ত, গ্রীষ্ম, হেমন্ত ও শীতের মরশুমের তৃতীয় পূর্ণিমা হল ব্লু মুন। নামে নীল চাঁদ হলেও, আদপে তা পুরোপুরি নীল হয় না। তাহলে কেন এটিকে ব্লু মুন বলে ডাকা হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

কথায় বলে ওয়ান্স ইন আ ব্লু মুন। অনেকটা এই শব্দবন্ধ গুলি থেকেই নেওয়া ব্লু মুন নামটি। নাসার বিশেষজ্ঞরা বলছেন ১৮৮৩ সালে ইন্দোনেশিয়ান আগ্নেয়গিরি ক্রাকাতোয়ায় ভয়াবহ উদগীরণ হয়। প্রচুর পরিমাণে কালো ছাই বাতাসে জমা হয়। আকাশ কালো হয়ে যায়। এর মধ্যে দিয়ে চাঁদের আলো পড়ে গোটা চাঁদটিকে নীল রংয়ের দেখাচ্ছিল। সেখান থেকে ব্লু মুন কনসেপ্টের উৎপত্তি বলে মনে করা হয়।

তবে সাধারণত ব্লু মুন মানেই নীল রংয়ের চাঁদ নয়। অনেক সময় মাসে ৩০ দিন থাকলে ব্লু মুন দেখা যায়। শেষবার ব্লু মুন দেখা গিয়েছে ২০১৮ সালের ৩১শে জানুয়ারি। ফের ২০২০ সালের ৩১ শে অক্টোবর মিলছে সুযোগ। এই সুযোগ হাতছাড়া হলে, অপেক্ষা করতে হবে ২০২৩ সালের ৩১শে অগাষ্ট পর্যন্ত।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I