ঢাকা: পশ্চিমবঙ্গে পরপর ধরা পড়ছে আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গির৷ আল কায়েদা ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম এক সদস্য এবার ধরা পড়ল ঢাকায়৷ ধৃত জঙ্গি লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায় সহ একাধিক মুক্তমনাকে খুনে জড়িত৷ ঢাকা মহানগর পুলিশ জানাচ্ছে, এবিটি জঙ্গির নাম আরফাত রহমান৷

এবিটি জঙ্গি সংগঠনের ‘বড়ভাই’ অর্থাৎ ‘মেজর’ জিয়ার (সৈয়দ জিয়াউল হক) নির্দেশে একাধিক ব্লগার খুনে অংশ নিয়েছিল আরাফাত৷ জেরা. সে স্বীকার করেছে, এছাড়াও বাংলাদেশের প্রথম সমকামী ম্যাগাজিন ‘রূপবান’ পত্রিকার সম্পাদক জুলহাস মান্নান, যুক্তিবাদী ব্লগার নীলাদ্রি নিলয়, ও জাগৃতি পত্রিকার কর্ণধার আরেফিন দীপনকে খুনেও তার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের কথা৷

পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র থাকতেও কেন কুপিয়ে খুন করে আনসারুল্লা বাংলা টিম?

শুক্রবার রাতে আরাফাতকে ঢাকার সাভার থানার আমিনবাজারের বরদেশী এলাকা থেকে আরাফাতকে গ্রেফতার করা হয়। আনসারুল্লা বাংলা টিম বর্তমানে আনসার আল ইসলাম নামেই পরিচিত৷ সেই সংগঠনের অপারেশন শাখার সদস্য আরাফাত৷

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনা৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমানে প্রকাশ্যে খুন করা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি মুক্তমনা লেখক অভিজিৎ রায়কে৷ আক্রান্ত হয়েছিলেন অভিজিতের স্ত্রী রফিদা আহমেদ বন্যা৷ পুলিশ জানিয়েছে, সেই হামলায় আরফাত রহমান ও তার তিন সহযোগী চপার দিয়ে কুপিয়েছিল অভিজিৎ ও বন্যাকে৷ একই কায়দায় কুপিয়ে আরও পাঁচ ব্লগারকেও খুন করেছে তারা৷

জেরায় আরাফাত আরও জানিয়েছে, ঘটনার দিন অভিজিৎ রায়কে হত্যার উদ্দেশে মুকুল রানা ওরফে শরীফের নেতৃত্বে তারা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। এখনো পর্যন্ত অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জন গ্রেফতার হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে কলকাতায় ধরা পড়েছে আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) দুই জঙ্গি তানভীর ও সুমন৷ একইসঙ্গে ধরা পড়েছে তাদের অস্ত্র সরবরাহকারী মনোতোষ দে৷ ধৃতদের জেরা করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ খুঁজছে আরও তিন এবিটি জঙ্গিকে৷ জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও কয়েকজন ব্লগার ও মুক্তমনাকে খুনের টার্গেট করেছে এবিটি জঙ্গিরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.