কাবুলঃ আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের (Kabul) শিয়া অধ্যুষিত পশ্চিমাঞ্চলে শনিবার একটি স্কুলের কাছে ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) বহু শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও এই হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। আফগান সরকারের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তালিবানরা এই বিস্ফোরণ কাণ্ডে তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে এবং সাধারণ মানুষ সহ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে এই হামলার নিন্দাও করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র তারিক আরিয়ান জানিয়েছেন, শিয়া অধ্যুষিত দস্ত-এ-বারচি এলাকায় অবস্থিত সৈয়দ আল-শাহদা বিদ্যালয়ের কাছে এই বিস্ফোরণ হয়। অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আরও জানানো হয় যে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণটি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ছিল। এক বাসিন্দা নাসির রহিমী জানান, তিনটি পৃথক বিস্ফোরণের শব্দ তিনি শুনেছেন। তবে এই দাবি সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে যানা যায়।

ওই স্থানীয় বাসিন্দা এও জানান, স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টের দিকে বিস্ফোরণ ঘটে এবং ওই সময় মেয়েরা স্কুল থেকে বাড়ি যাচ্ছিল। বিস্ফোরণে আহত ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী জাহরা বলেছে, “আমি আমার সহপাঠীর সাথে ছিলাম এবং আমরা যখন স্কুল ছেড়ে যাচ্ছিলাম, তখন এক বিস্ফোরণ ঘটে।” ১০ মিনিট পরে আবার একটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং কয়েক মিনিট পরে আবার একটি বিস্ফোরণ ঘটে। ‘

আফগানিস্তানের (Afghanistan) রাজধানী শহর কাবুলে এহেন ভয়ানক হামলার জন্য কোনও সংগঠনের তরফে এখনও পর্যন্ত দায় স্বীকার করা হয়নি। তবে অতীতে ইসলামিক স্টেট একই শিয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে হামলার দায় স্বীকার করেছিল। উগ্রপন্থী সুন্নি মুসলিম দলটি আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু শিয়া মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা আগেই দিয়েছে। গত বছর প্রসূতি হাসপাতালে হামলার জন্য আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ইসলামিক স্টেটকে একাহত নিয়েছিল, যেখানে অনেক গর্ভবতী মহিলা এবং নবজাতকের মৃত্যুও হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, এই হামলাটি তখনই ঘটল যখন আফগানিস্তান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে। তারপরই বিশেষজ্ঞ মহলের মত, আফগানিস্তানের প্রায় অর্ধেক অংশ তালিবানদের (Taliban) মুঠোর মধ্যে চলে আসবে। ওই সমস্ত অঞ্চলে তালিবানরা আবার শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.