গুয়াহাটি: প্রবল বিস্ফোরণের পর আগুনের লেলিহান শিখা সেই সঙ্গে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে ফের শিরোনামে অসমের গুরুত্বপূর্ণ তেল খনি বাঘজান। অন্তত ৬ জন জখম। এদের তিন জন বিদেশি বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি এই খনিতেই লাগাতার ১৪ দিনের বেশি আগুন জ্বলে নিকটবর্তী অভয়ারণ্য়ের অনেক জীব বৈচিত্র্য ধংস হয়েছে। গত ২৭ মে থেকেই অয়েল ইণ্ডিয়া লিমিটেডের বাঘজান তেল খনি থেকে ক্রমাগত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস নির্গমণ হচ্ছে।

কোনওভাবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বাঘজান তেল খনির আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিলেন কিছু বিদেশি বিশেষজ্ঞ। বুধবারে বিস্ফোরণের ঘটনায় তাঁরা জখম হন। এদের মধ্যে ৩ জন বিদেশি। বাকিরা ভারতীয়। জখম বিদেশি ৩ জন বিশেষজ্ঞ সিঙ্গাপুরের একটি সংস্থার কর্মী। এই সংস্থা বাঘজান তেল খনির আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে। আহতদের ডিব্রুগড়ের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

একদিকে প্রবল বন্যায় অসমের বিস্তৃত এলাকা জলমগ্ন। বহু মানুষ গৃহহীন। এর পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এর মাঝে তিনসুকিয়ার বাঘজান তেল খনিতে ফের বিস্ফোরণ এই এলাকার বাসিন্দারা তীব্র আতঙ্কিত। কারণ মাস খানেক ধরে এখানে আগুন জ্বলছেই।

চলতি বছর জুন মাসেই বাঘজান তেল খনিতে আগুন লাগে। সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে নিকটবর্তী ডিব্রু-সাইখোয়া জাতীয় উদ্যানে। গাছ, ফসল এবং ঘরবাড়ি পুড়ে যায়। মৃত্যুও হয়। বন্য প্রাণ নষ্ট হওয়ায় পরিবেশ আন্দোলনে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদ চলছেই।

দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনসুকিয়ার বাসিন্দারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতিরঅভিযোগে সরব হন। পরে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানান এই অবস্থা সামাল দিতে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সেই মতো সিঙ্গাপুরের সংস্থাটি বাঘজান তেল খনি এলাকার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

বুধবার কাজ চলাকালীন প্রবল বিস্ফেরণ হয়। এতে নতুন করে আগুন ছড়ায়। জানা গিয়েছে ওই কর্মীর দীর্ঘ চেষ্টায় খনির আগুন নিভিয়ে এনেছিলেন। ফের আগুন ছড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।