লেবানন; ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল বহুদূর পর্যন্ত শোনা যায় সেই শব্দ। কালো ধোঁয়াতে ঢেকে যায় গোটা আকাশ। এমনকি আশেপাশের বহু বাড়িতে আগুন ধরে যায় এই ঘটনার পর। যদিও এখনও পর্যন্ত দাউ দাউ করে জ্বলছে গোটা এলাকা।

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নেভানোর কাজ। আকাশ থেকেও চলছে আগুন নেভানোর কাজ। তবে এখনও পর্যন্ত ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়।

তবে লেবাননের রেড ক্রসের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের যে তীব্রতা ছিল তাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। ওই আধিকারিকের আশঙ্কা, ভয়ঙ্কর এই বিস্ফোরণে ১০০ জনের বেশি হতাহত হতে পারে।

অন্যদিকে, স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছে, বিস্ফোরণের ধরণ পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটার মতো ছিল। তীব্রতাওই ছিল ভয়ঙ্কর। এক নিমেষে যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল গোটা এলাকাটা।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভেঙে পড়ল ঘর-বাড়ি, জানালা। রক্তাক্ত অবস্থায় মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তায়।

২০২০-র একের পর এক ধ্বংস যজ্ঞে যোগ হল লেবাননের হৃদয় বিদারক ছবি। ইতিমধ্যেই লেবাননে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িও ভেঙে চুরমার। কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।