চণ্ডীগড়: প্রবল শব্দে চমকে গেলেন এলাকাবাসী৷ ততক্ষণে বাইকে করে আসা দু জন ছুঁড়ে দিয়েছে গ্রেনেড৷ যারা কোনওমতে বেঁচে গিয়েছেন তাঁদের বয়ান থেকে পুলিশ খুঁজছে মুখ ঢেকে আসা হামলাকারীদের৷ কালো কাপড়ে মুখ সম্পূর্ণ ঢেকে বাইক করে হামলা চালানো হয়েছে অমৃতসরের নিরঙ্কারী সৎসঙ্গ আশ্রমে৷ এই গ্রেনেড বিস্ফোরণে তিন জনের মৃত্যুর খবর আসছে৷ জখম হয়েছে ১০-১২ জনেরও বেশি৷

জানা গিয়েছে, অমৃতসর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর লাগোয়া গ্রাম রাজাসান্সিতে থাকা নিরঙ্কারী সৎসঙ্গ আশ্রমে হামলা হয়েছে৷ পাক সীমান্ত থেকে কিছুটা দূরে এই এলাকা৷ ফলে হামলার পর থেকেই পাঞ্জাব জুড়ে কড়া সতর্কতা জারি হয়েছে৷ উঠতে শুরু করেছে পক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ৷ সম্প্রতি গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কাশ্মীরে নাশকতার দায়িত্ব নেওয়া জঙ্গি জাকির মুসা ফিরোজপুরে এসেছে৷ তারপরই হল গ্রেনেড হামলা৷

জাকির মুসা

ঘটনার জেরে স্তম্ভিত পাঞ্জাব৷ এদিকে সতর্কতা জারি হয়েছে দিল্লি ও হরিয়ানার সর্বত্র৷ কারা হামলা চালাল সেই বিষয়ে উঠছে প্রশ্ন৷ মূলত পাঞ্জাবের মাটিতে নাশকতা ঘটানোর দায় গিয়ে পড়ে সেই বব্বর খালসা জঙ্গি সংগঠনের ঘাড়ে৷ পাকিস্তানি মদতপুষ্ট এই উগ্র শিখ সংগঠনের হামলায় বারে বারে রক্তাক্ত হয়েছে পাঞ্জাব৷

১৯৯৫ সালে চণ্ডীগড়েই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিয়ন্ত সিংকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ সেই নাশকতায় মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়৷ এতেও জড়িত বব্বর খালসা জঙ্গি সংগঠন৷

এদিকে যথারীতি নাশকতার পরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা৷ পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস৷ ফলে রাজ্য সরকারকে ঘিরে সোশ্যাল সাইটে শুরু হয়েছে বিরোধী বিজেপির কটাক্ষ৷ অপর দিকে তার জবাবও দিতে শুরু করেছে কংগ্রেস৷