ইসলামাবাদ: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচি। বুধবার সকালে এক পাকিস্তানের এই শহরের এক বহুতলে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত বহু। অন্তত ১৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গুলশন-এ-একবালে করাচি ইউনিভার্সিটির গেটের ঠিক উল্টো দিকের বহুতলে এই ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণের কারণ স্পষ্ট করে কিছু জানতে পারেনি। তবে প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার ব্লাস্ট বলে মনে করা হচ্ছে। বহুতলের দোতলায় এই ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার, শিরিন জিন্না কলোনির কাছে বাস টার্মিনাসে বিস্ফোরণ ঘটে।

ইতিমধ্যে পুলিশ জানিয়েছে বম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াডকেও আনা হয়েছে ঘটনাস্থলে। কোনও শক্তিশালী বোমা এই বিস্ফোরণের কারণ কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বিস্ফোরণের পরেই গোটা এলাকা ভরে গিয়েছে দমকল ও অ্যাম্বুল্যান্সে। মৃত ও আহতদের সকলকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।

ও দিকে মেয়াদ ফুরনোর প্রায় আড়াই বছর আগেই প্রবল চাপে ইমরান খান ও তাঁর সরকার। বস্তুত ইমরানকে সরাতে রীতি মতো কোমর বেঁধেছে পাকিস্তানের ১১টি রাজনৈতিক দল। নওয়াজ়ের দল পিএমএল (এন) এবং বিলাবলের দল পিপিপি তো আছেই, তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ছোট-বড়-আঞ্চলিক মিলিয়ে আরও ৯টি দল। এঁরা সকলে জোট বেঁধে গড়েছেন পাকিস্তান ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (পিডিএম)। গত মাসেই জোটটি তৈরি হয়েছিল। এক-একটি শহরে কর্মসূচি করে তারা ইমরান সরকারকে আক্রমণ করে চলেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.