চট্টগ্রাম: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামার আগে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে কৃতিত্ব দিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যান জারমাইন ব্ল্যাকউড৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাটিং সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাইস-ক্যাপ্টেন জানান, বিরাটের সঙ্গে কথোপকথন তাঁকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাটিং মানসিকতার উন্নতি করতে সহায়তা করেছে।

৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে দুরমুশ হওয়ার পর টেস্ট সিরিজে নামার আগে বিরাট স্তুতি শোনা গেল ব্ল্যাকউডের গলায়৷ গত বছর ইংল্যান্ড সফরে দু’টি হাফ-সেঞ্চুরিসহ ২১১ রান করেছিলেন ব্ল্যাকউড৷ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারলেও ব্যাটে সাফল্য পেয়েছিলেন তিনি৷ তারপর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও দু’ টেস্টের সিরিজে ভালো খেলেছিলেন ব্ল্যাকউড৷

২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভারত সফরের দলেও ছিলেন ব্ল্যাকউড৷ কিন্তু ভারত যখন শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়েছিল তখন কোহলির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি৷ তার পর থেকেই তাঁর ব্যাটিং মানসিকতা বদলে গিয়েছে বলে জানান বছর উনত্রিরিশের এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান৷

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর দিনকয়েক আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ব্ল্যাকউড বলেন, ‘আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার সত্যিই খুব বেশি কথোপকথন হয় না। আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকবার বিরাট কোহলির সঙ্গে কথা বলেছি। শেষবার ভারত যখন ক্যারিবীয় সফর করেছিল, তখন আমি বিরাটের সঙ্গে জামাইকাতে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলাম৷ খেলার পরে আমাদের মধ্যে অল্পক্ষণ কথাবার্তা হয়েছিল৷ আমি বিরাটকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আমার অনেক হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে, কিন্তু সেঞ্চুরির সংখ্যা মাত্র একটি৷ বিরাট বলেছিল, সেঞ্চুরি করতে তোমাকে আরও বেশি বল খেলতে হবে৷’

তিনি আরও বলেন, ‘এই কথোপকথনের পরে, আমি নিজেকে বলি, যেখানে আমি ২০০ থেকে ৩০০ বল খেলতে পারি, সেখানে কেন করব না৷ আমি যেভাবে ব্যাট করি, কার বিরুদ্ধে খেলছি বা কোথায় খেলছি তা নির্বিশেষে রান সংগ্রহ করতে পারি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।