যোধপুর: নতুন করে নোটিশ বলিউড অভিনেতাদের, যারা রাজস্থানের কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় যুক্ত ছিলেন৷ ফলে বিপাকে পড়লেন সইফ আলি খান, সোনালি বেন্দ্রে, নীলম ও টাবু৷ ১৯৯৮ সালে হাম সাথ সাথ হ্যায় ছবি শ্যুটিং করতে গিয়ে এঁদের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে৷

রাজস্থান হাইকোর্টের পক্ষ থেকে নতুন করে নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে বলে খবর৷ ১১ই মার্চ এই নোটিশ জারি করা হয়৷ বলা হয় মামলার শুনানি হবে নোটিশ ইস্যু হওয়ার ৮ সপ্তাহ পরে৷ বণ্যপ্রাণ (সংরক্ষণ) আইনের ১১ নম্বর ধারায় এদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে৷ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারকের কাছে শুনানি হতে চলেছে৷

আরও পড়ুন : মোদীর আমলে প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, কংগ্রেসের দাবি উড়িয়ে জানাল সেনা

গতবছর জানুয়ারি মাসেই নতুন করে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার অভিযুক্ত অভিনেতাদের৷ অস্ত্র আইন থেকে নিষ্কৃতি পেলেও বন্য প্রাণী হত্যা মামলায় যোধপুর আদালতে হাজির হন সলমন, সইফ, নীলম, সোনালি বিন্দ্রে ও আরও একজন৷ সুরজ বরজাতিয়ার ছবি ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’-এর শ্যুটিং চলাকালীন রাজস্থানের কঙ্কোনি গ্রামে এক কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করায় জড়িয়ে পড়েন এই তারকারা৷ তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় মামলা৷

বলা হয়, কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সলমন খান দেশের বাইরে যেতে গেলে আলাদা করে তাঁকে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। তবে সলমনের আইনজীবী আবেদন জানান, তাঁর মক্কেলকে যেন বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে সেখানেও বাধা দেন সরকারি পক্ষের আইনজীবী।

আরও পড়ুন : বালাকোটে বড় সাফল্য পেয়েছে ভারত, নিশ্চিত করল সেনা

প্রসঙ্গত, কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী দুলানি ১৯৯৮-এ ঘটনার দিন সলমনের গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তাঁর বয়ানের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে গোটা মামলা। বয়ানে দুলানি জানান, সলমনই শিকার করেন চিঙ্কারা। কিন্তু তারপর আদালত থেকে তাঁকে বারবার সমন পাঠালেও তিনি অনুপস্থিত থাকেন। মামলার শুনানি চলাকালীনও আদালতে দেখা যায়নি তাঁকে।

শেষে মূলত তাঁর অনুপস্থিতির কথা বিবেচনা করেই রাজস্থান হাইকোর্ট সলমনকে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়৷ রাজস্থানের কঙ্কনি গ্রামে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেছিলেন সলমন খান। মামলাটি ট্রায়াল কোর্টে পৌঁছায়। তারপর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এই মুহূর্তে যোধপুর আদালতে মামলা চলছে৷