আহমেদাবাদ: একে করোনায় রক্ষে নেই, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস দোসর। রাজধানী দিল্লির পর এবার গুজরাটেও থাবা বসাল ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus) বা মিউকোরমাইকোসিস (Mucormycisis) । গুজরাট সরকারের তরফে ৫ হাজার অ্যাম্ফোটেরসিন-বি (Amphotericin-B) ইনজেকশনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্য়েই। এই ছত্রাকে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ৩.১২ কোটি টাকা খরচ হবে বলে খবর।

মিউকোরমাইকোসিস রোগীদের সংখ্যা এখন রাজ্য়ে ১০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আহমেদাবাদ, সুরাট, ভাদোদরা, রাজকোট, ভবনগড় ও জামনগর জেলার হাসপাতালে এই ছত্রাকের দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি বিচ্ছিন্ন ওয়ার্ডের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার গুজরাটের সুরাট থেকে ৮ জনের এই রোগে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারানোর খবর এসেছে। গত ১৪ দিনে সুরাটে মিউকোরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ জন। এই সংক্রমণ চিকিৎসাযোগ্য। কিন্তু যদি রোগীকে শীঘ্রই চিকিৎসা না করে দেরি রাখা হয় তবে তার দৃষ্টিশক্তি খোয়া যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুও হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করে নাক এবং চোয়াল বাদ দিতে হতে পারে।

আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC) জানিয়েছে, মিউকোরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বিরল এক ছত্রাকঘটিত রোগ। মিউকোরমাইসেটেস ছত্রাকের জন্য এই রোগ হয়। এটি পরিবেশে বিরাজমান। শ্বাসের সঙ্গে ই ছত্রাকের বীজ বাতাস থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এটি সাইনাস বা ফুসফুসকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। কেটে যাওয়া, পোড়া বা অন্যান্য ধরণের ত্বকের আঘাতের থেকেও এটি মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে। মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত ৮ জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসা চলাকালীন মিউকোরমাইকোসিসের জন্য মারা গিয়েছেন। ২০০ জনের চিকিৎসা চলছে। ডিরেক্টরেট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের ড. তত্যরাও লাহানে জানিয়েছেন, করোনার কারণে এমনিতেই দুর্বল ছিলেন তাঁরা। সেই দুর্বল শরীরেই বাসা বেঁধেছিল ব্ল্যাক ফাঙ্গাস।

সাংবাদিক সম্মেলন করে নীতি আয়োগের সদস্য ভিকে পাল বলেন, “কোভিড -১৯ আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নামক ছত্রাকের সংক্রমণ দেখতে পাওয়া যায়। এটি একটি ছত্রাকের মাধমে ছড়িয়ে পড়ে। মূলত যারা ডায়াবেটিস রোগী, তাদের ক্ষেত্রেই এই সংক্রমণের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি থাকে। তবে এখনও পর্যন্ত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েনি এবং আমরা এই বিষয়ে কড়া নজর রাখছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.