মুম্বই: নিজের দল নিয়ে হতাশ মহারাষ্ট্রের বিজেপি মুখপাত্র সাইনা এন সি৷ সেই হতাশা চেপে রাখেননি তিনি৷ রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে দল সম্পর্কে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সাইনা৷ এরই সঙ্গে প্রশংসা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের৷

ইস্যু লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের প্রতিধিত্বের হার৷ সেই ইস্যুতে যে বেশ পিছিয়ে বিজেপি, তা পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে৷ মহারাষ্ট্রের ৪৮টি লোকসভা আসনের মধ্যে মাত্র ১৩টি আসনে মহিলা প্রার্থী৷ সেদিকে পশ্চিমবঙ্গে ৪১ শতাংশ আসনে তৃণমূলের মহিলা প্রার্থী আর ওড়িশায় ৩৩টি আসনে বিজেডি মহিলা প্রার্থী দিয়েছে৷

এখানেই সরব হয়েছেন সাইনা৷ তাঁর মতে মমতা ও নবীনকে দেখে শেখা উচিত অন্যান্য দলের৷ বিশেষ করে বিজেপি এর থেকে শিক্ষা নিয়ে জেগে ওঠা উচিত৷ শুধু বড় বড় কথা বললেই হয় না, তা কাজেও করে দেখাতে হয় বলে মত সাইনার৷ মহিলা প্রার্থীদের ক্ষমতায়ন জরুরি৷ বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন মহিলাদের সুযোগ করে দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসার সময় হয়েছে৷

রাজনীতিতে মহিলাদের দক্ষতা চিত্র বদলে দেবে৷ উল্লেখ্য রাজ্যের মোট ১৩টি আসনে মহিলা প্রার্থীর মধ্যে বিজেপির সাত জন, কংগ্রেসের ৩জন, এনসিপি ও শিবসেনার ১জন করে ও একজন নির্দল প্রার্থী রয়েছেন৷ নির্দল বিধায়ক রবি রানার স্ত্রী নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছেন৷ এনসিপির জোট শরিক হিসেবে নভনীত অমরাবতী থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন৷

বিজেপি মহিলা প্রার্থীদের মধ্যে মহারাষ্ট্রের নন্দুরবার আসনে দাঁড়িয়েছেন হিনা গাভিট, রক্ষা খাদসে, দিন্দোরি থেকে ভারতী পওয়ার, মুম্বই নর্থ সেন্ট্রাল থেকে পুনম মহাজন, বিদ থেকে প্রীতম মুণ্ডে, বারামতি থেকে কাঞ্চন কুল, জলগাঁও থেকে স্মিতা ওয়াগ৷ এর মধ্যে গাভিট, খাদসে, মুণ্ডে, মহাজন দ্বিতীয় বারের জন্য নির্বাচনে লড়ছেন৷ তাঁরা ২০১৪ সালের জয়ী প্রার্থী৷

কংগ্রেসের চারুলতা টোকাস, প্রিয়া দত্ত, উর্মিলা মাতণ্ডকর, সুপ্রিয়া সুলে, নভনীত রানা৷ শিবসেনার সাংসদ ভাবনা গাওয়ালিও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন৷