মুম্বই: ফের অসুস্থ প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল না থাকায় তাঁকে শনিবার মুম্বইয়ে উড়িয়ে আনা হয়। শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে তাঁর। মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে বলে সাধ্বী প্রজ্ঞার অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে।

এই নিয়ে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বার সাধ্বী প্রজ্ঞাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হল। ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁকে দিল্লির এইমসে ভর্তি করা হয়। তখনও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল তাঁর। তার আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসেও তাঁকে এইমসে ভর্তি করতে হয়েছিল। সেবার তাঁর শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। তবে সেবার মালেগাঁও বিস্ফোরণের শুনানির আগের দিন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কারণ মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে আদালত যাদের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা।

মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় প্রজ্ঞা ঠাকুর-সহ চার অভিযুক্ত করোনা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে ডিসেম্বরে আদালত-হাজিরা এড়িয়েছেন। প্রত্যেকেই আইনজীবী মারফত বর্তমান করোনা আবহে আদালতে আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্রের বিশেষ আদালত সেই আবেদনে মান্যতা দেয়। তবে এবার মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চায় আদালত। সেই কারণেই বিজেপি সাংসদ-সহ মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় সব অভিযুক্তদের আদালতে স্বশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারক। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। শতাধিক মানুষ। বিস্ফোরমে জখম হয়েছিলেন। তারপর থেকেই মামলা চলছে। এবর সেই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চায় আদালত।

তবে সাধ্বী প্রজ্ঞা বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন। করোনা আবহে যখন রাম মন্দিরের উদ্বোধন হয় তখন তিনি বলেছিলেন দিনে পাঁচ বার করে হনুমান চালিশা জপ করলেই দেশ থেকে করোনা দূর হবে। তিনি তখন বলেছিলেন ২৫ জুলাই থেকে ৫ অগাষ্ট দিনে পাঁচবার হনুমান চালিশা পড়তে হবে। রাম মন্দিরের আরতি শুরু হওয়ার পর তা শেষ হবে। প্রজ্ঞা এও বলেছিলেন যখন সারা দেশের হিন্দুরা এক যোগে হনুমান চালিশার জপ করবেন, তখনই দেশ থেকে যাবে করোনা। ভগবান রামের কাছে এটাই সমবেত প্রার্থনা হবে। তিনিই রক্ষা করবেন দেশকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।