স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যে পরীক্ষা চলাকালীন লাউডস্পিকার না বাজানোর বিধি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার চালু করেছিল ২০১৩ সালে৷ রাজ্য সরকারের ওই রায়কে চ্যালেঞ্চ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছিল বিজেপি৷ তবে সোমবার সর্বোচ্চ আদালত বিজেপির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে৷

পরীক্ষার সময় রাজ্যের বসতি এলাকায় লাউডস্পিকার বাজানো নিষিদ্ধ – রাজ্য সরকারের বানানো এই বিধি অটুট রইল৷ রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, নির্বাচনের প্রচারের থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিশুদের পড়াশুনো৷ স্বাভাবিক ভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে চওড়া হাসি থাকবে৷ কাল দিল্লিতে বিভিন্ন মোদী বিরোঘী কর্মসূচীতে যাচ্ছেন মমতা৷

লাউডস্পিকার না বাজাতে দেওয়াকে অসংবিধানিক ব্যাখ্যা করে বিজেপি আদালতে দাবি করে, তৃণমূল সীমানা অতিক্রম করতে চাইছে৷ বিজেপির রাজনৈতিক কার্যক্রমকে আটকাতে এই নিয়ম ব্যবহার করা হচ্ছে৷ শব্দ দানবকে আটকানো রাজ্য সরকারের কর্তব্য৷ কিন্তু বসতি এলাকায় লাউডস্পিকার বাজানো নিষিদ্ধ করার অধিকার সরকারের নাই৷ সময়, পরিবেশ এবং পরিস্থিতি বিচার করে বিষয়টি ‘ব্যালেন্স’করা যেত৷ পরীক্ষার থেকেও বেশি রাজনৈতিক কারণে লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি৷

বিজেপির বক্তব্য একটি রাজনৈতিক দলের কতা বলার অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে তৃণমূল৷ রথযাত্রা বা গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা সর্বোচ্চ আদালতে নির্দেশে বন্ধ৷ এই পরিস্থতিতে লোকসভা নির্বাচনের আগে গণতন্ত্র বাঁচাও সভা করছে বিজেপি৷ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ থেকে শুরু করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিংবা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সভা করে দিয়েছেন৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সভা করেছেন৷ বলেছেন, বাংলায় ক্ষমচায় এসে রথয়াত্রা করবেন৷ রথয়াত্রা হতে পারে লোকসভার সাফল্যের পরও৷