শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : এবার সোমেনের (Somen Mitra) ঘরে বিজেপি-র থাবা। সোমেন মিত্র জায়া শিখা মিত্র ও তাঁর পুত্র এবং রোহন মিত্রর কংগ্রেস (Congress)  ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার বিষয় নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে । শিখা মিত্রকে (Sikha Mitra) বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। kolkata 24×7 এর তরফে শিখা মিত্রর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এই কথা জানান।

কেন এই পরিস্থিতি? উত্তরে শিখা মিত্র বলেন, প্রদেশ কংগ্রেসের বর্তমান নেতৃত্বের ওপর তাঁর ও তাঁর পুত্রের ক্ষোভ রয়েছে । কারণ প্রদেশ নেতৃত্ব তাদের গুরুত্ব দিচ্ছে না। সেই কারণেই শিখা মিত্র ও তাঁর পুত্র কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার ভাবনা চিন্তা করছেন । এই ঘটনার মধ্য দিয়েই প্রদেশ কংগ্রেসের (PCC) মধ্যেকার সোমেন-অধীর দ্বৈরথ আবার সামনে এসে পড়লো। এবং সেই সুযোগ কাজে লাগাতে বিজেপি সক্রিয় হয়ে উঠলো। যদিও সোমেন মিত্র এখন প্রয়াত। শিখা মিত্র জানিয়ে দেন রবিবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বাড়িতে এসে তাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

এই প্রসঙ্গে শিখা মিত্রর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, “কংগ্রেসের বর্তমান নেতৃত্ব আমার ও আমার পুত্রের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। কেউ কেউ পদ পেয়ে এসব করছেন। আমার কাছে খবর ছিল আমাদের নাকি বিধান ভবনে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তার পর আমি প্রদেশ ভবনে যাই। আসলে কেউ কেউ ভুলে গেছেন প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও কার্য্যালয় ছিল না। সোমেন মিত্র অর্থাৎ ছোড়দা নিজে বিধান ভবন তৈরী করেন। আর আজ সেই সোমেন মিত্রর তৈরিকরা প্প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে বসেই তাঁর স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে “

শুভেন্দু অধিকারী আপনার বাড়ি এসেছিলেন রবিবার। আপনি ও আপনার পুত্র কী বিজেপিতে যাবেন? উত্তরে শিখা মিত্র বলেন, “দেখুন আমরা কংগ্রেস ঘরানার মানুষ। আমার বাবা কংগ্রেস করতেন। আমি সোমেন মিত্রর স্ত্রী। আমাদের মনে এই ভাবনা এলো কারণ কংগ্রেসের বর্তমান নেতৃত্ব আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে না। এরকম চলতে থাকলে আমার অন্য রকম ভাবনা ভাবতে হবে। আমার বাড়িতে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন। তিনি আমায় ভোট দাঁড়াবার প্রস্তাব দিয়েছেন।আমায় আজ সোমবারই বিজেপিতে যোগ দিতে বলেছিলেন শুভেন্দু । শুভেন্দু আমার ছোট ভাইয়ের মতো। তবে আমি এই বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। আমি ও আমার পুত্রী বুধবার এই প্রসঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে কথা বলবো। তারপর চূড়ান্ত সিইদ্ধান্ত নেবো।”

শিখা মিত্র তাঁর কথায় বুঝিয়ে দেন, বিজেপিতে যাওয়ার সমস্ত সম্ভাবনার রাস্তা খোলা রেখেই তিনি বুধবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে কথা বলবেন। তারপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে তিনি যে সপুত্র বিজেপিতে যাবেন সেই কথাও তিনি ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।