স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: খাতায় কলমে জোড়াফুল হলেও নৈহাটি পুরসভার রং গেরুয়া৷ ৩১ আসনের পুরসভার ২৯ কাউন্সিলরই যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে৷ এবার আনুষ্ঠানিকভাবে মসনদের দখল নিতে মরিয়া পদ্ম শিবির৷ ইতিমধ্যেই পুরসভায় অনাস্থা আনল বিজেপি৷ পালটা নৈহাটি পুরসভায় প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নবান্নের৷

নৈহাটি পুরসভায় অনাস্থা আনল বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কাউন্সিলররা৷ ১৮ জন বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলরের সই করা চিঠি জেলাশাসকের কাছে জমা নিয়েছেন নৈহাটির পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার। এই ১৮ কাউন্সিলরই দিন কয়েক আগে দিল্লিতে গিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন৷

আরও পড়ুন: ইন্দিরা গান্ধীর পর প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ

এরপরই, ওই পুরসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কাউন্সিলররা পুরসভার রং পালটাতে মরিয়া৷ দেখা বিজেপির দাবি, ৩১ আসনের ২৯ জন কাউন্সিলরই তাদের পক্ষের৷ ফলে ভোট হলে নৈহাটি পুরসভায় রাজ্যের শাসক দলের পরাজয় প্রায় নিশ্চিৎ৷ তাই রাজ্যের নগোরন্নয়ন দফতরের সিদ্ধান্ত, আপাতত প্রশাসক বসিয়েই কাজ হবে নৈহাটিতে৷ পরে অনাস্থা ভোট হবে৷ নবান্ন সূত্রে খবর, শুক্রবারই জারি হবে নির্দেশিকা৷

ভোটের ফলাফলে বাংলায় বিজেপির পালে হাওয়া৷ ১৮টি আসন জিতে বাজি মাত করেছে গেরুয়া শিবির৷ নেপথ্যের কারিগর হিসাবে বাহবা পাচ্ছেন মুকুল রায়৷ তৃণমূলের রোষে দলের ‘গদ্দার’৷ এহেন পরিস্থিতিতে নিজের বাবা তথা বিজেপি নেতা মুকুল রায় সমন্ধে প্রশংসা শোনা যায় তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশুর গলায়৷ দল বিরোধী কাজের জন্য তাঁকে ওইদিনই ঘন্টা খানেকের মধ্যে সাসপেন্ড করে রাজ্যের শাসক দল৷

আরও পড়ুন: বিরোধীদের কপালভাতি করতে বললেন রামদেব

এরপরই বিজেপিতে যোগ দেন তৃণমূলের বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু৷ এছাড়াও তৃণমূলের অপর এক বিধায়ক সহ অন্য দলের আরও দুই বিধায়ক যোগ দেন পদ্ম শিবিরে৷ যোগ দেন নৈহাটি, হালিশহর, ভাটপাড়া ও কাঁকিনাড়া পুরসভার অধিকাংশ তৃণমূল কাউন্সিলররা৷ যদিও শাসক দলের দাবি বন্দুকের নলের সামনে কাউন্সিলররা প্রতিবাদ করেননি৷ ভোটাভুটি হলেই দেখা যাবে, এই চার পুরসভাই থাকছে তাদের দখলে৷

প্রশ্ন উঠছে তাহলে কী নিশ্চিৎ বিপদ আঁচ করতে পেরেছে তৃণমূল৷ তাই ভোটাভুটি এড়াতেই নবান্নের প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নৈহাটি পুরসভায়৷ বর্তমানে রাজ্যের ভোটের সময় উত্তীর্ণ ১৭ পুরসভা চলছে প্রশাসকের মাধ্যমে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।