নয়াদিল্লি: দেশকে টুকরো টুকরো করার মনোভাব থেকে বিজেপি এই ইস্তেহার প্রকাশ করেনি৷ জাতীয়তাবাদী ভাবনাচিন্তা থেকে তা তৈরি করা হয়েছে৷ সোমবার ঠিক এই ভাবেই দলের সংকল্প পত্রের ব্যাখ্যা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷

অরুণ জেটলি বলেন, ‘‘সংকল্প পত্রটি খুবই বাস্তবোচিত হয়েছে৷ নতুন নীতি, সন্ত্রাস মোকাবিলায় সরকারের অবস্থান বিশ্বের নজর কেড়েছে৷’’ এরপরই কংগ্রেসকে খোঁচা মেরে তিনি জানান, দেশকে টুকরো টুকরো করার অভিপ্রায় থেকে এই ইস্তেহার প্রকাশ করেনি বিজেপি৷ প্রসঙ্গত কংগ্রেস তাদের ইস্তেহারে আফস্পা আইন ও দেশদ্রোহী ধারা পুর্নবিবেচনা করার কথা জানায়৷

আরও একবার সংবিধানের ৩৫এ ধারা বাতিলের পক্ষে সওয়াল করেন তিনি৷ জানান, এই ধারা সংবিধানের পরিপন্থী৷ যারা জম্মু কাশ্মীরের বাসিন্দা নন অথচ সেখানেই থাকেন তাদের অধিকারের পরিপন্থী৷ বিজেপিকে হঠাতে বিরোধী দলগুলির মহাজোটকে কটাক্ষ করেন৷ জানান, ভারত মজবুত সরকার চায় মজবুর সরকার নয়৷

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকার শুধু স্লোগানই দিত৷ কিন্তু মোদী সরকার গরিবদের সুযোগ সুবিধা ও নানা পরিষেবা দিয়েছে৷ বিজেপি দেশ থেকে দারিদ্র দূর করতে চায়৷ দলের ইস্তেহারে গরিবি হটানোর দিশা লুকিয়ে আছে৷ আগামী পাঁচ বছর ধাপে ধাপে তা নিমূল করা হবে৷

এই সঙ্কল্প পত্রকেই নিশানা করলেন কংগ্রেসের মুখপাত্র, আইনজীবী জয়বীর শেরগিল৷ তিনি স্পষ্ট বলেছেন, সঙ্কল্প পত্রের পরিবর্তে বিজেপির মাফি পত্র ( মাফি অর্থাৎ ক্ষমা) প্রকাশ করা উচিত৷ বেকারত্ব, কৃষকদের আত্মহত্যা, ব্যবসায় ধাক্কা, সেইসঙ্গে যুব সম্প্রদায়কে পকোড়া বিক্রিতে উৎসাহ দেওয়া , এই বিষয়গুলিকেও নিশানা করেছেন শেরগিল৷

উল্লেখ্য, সোমবারই ৭৫টি প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইস্তেহার প্রকাশ করছে বিজেপি৷ ৬ কোটি মানুষের মনের কথা দিয়েই তৈরি হয়েছে ইস্তেহার, জানালেন অমিত শাহ। পাঁচ বছরের মোদী সরকারের সাফল্যের খতিয়ান ধুলে ধরেন তিনি। জানান, ২০১৪ থেকে ২০১৯ দেশের জন্য সোনালি সময়। সেই সঙ্গে এও জানালেন, আগামী পাঁচ বছর হবে আশা ও আকাঙ্খার সরকার।