দিনহাটা: ভোট পরবর্তী হিংসায় একদিকে যেখানে উত্তপ্ত ভাটপাড়া-কাঁকিনাড়া, কেশপুর৷ সেখানে বাদ নেই কোচবিহারের শীতলকুচিও৷ এই শীতলকুচিতেই তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি হাজির হয়েছিলেন৷ কিন্তু তাঁর প্রবেশের পথেই বাধা হয়ে দাঁড়ান বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা৷

জানা গিয়েছে, রাস্তায় বিজেপি কর্মীরা শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন৷ সুব্রত বক্সির উদ্দেশ্যে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে৷ দেখানো হয় কালো পতাকাও৷ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখে, অশান্তি যাতে না ছড়ায় তাই সেখান থেকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন সুব্রত বক্সি৷ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে৷

পড়ুন: কাটমানির বড় হোতা তৃণমূলের রাঘব বোয়ালরাই: কুণাল ঘোষ

এদিকে, রাজ্যে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবার রাজ্যজুড়ে গণ-অবস্থানে বসছে প্রদেশ কংগ্রেস। ২৪শে জুন, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এই বিক্ষোভ কর্মসূচী৷ প্রতিটা জেলায় মাসব্যাপী এই কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে বলে বিধানভবন জানায়৷

লোকসভা নির্বাচন মিটে গেলেও হিংসা মিটছে না রাজ্যে। ভোটের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। সম্প্রতি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সন্দেশখালিতে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন তিন জন। তাদের মধ্যে দু’জন বিজেপি কর্মী ও একজন তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করা হয়েছে। এরমধ্যেই অগ্নিগর্ভ ভাটপাড়া৷ সেখানে বোমা-গুলির লড়াইয়ের দুই নিরীহ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপি ও তৃণমূল দু’দলকেই দায়ী করছে প্রদেশ কংগ্রেস।