ঘাটাল,পশ্চিম মেদিনীপুর : পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থেকে ঘাটাল পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার রোড-শো করলেন তৃণমূল যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Avishek Banerjee)। রোড-শো শেষে ঘাটালে (Ghatal) সভা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে (BJP) আবার বহিরাগত বলে আক্রমণ করেন।পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদের বলেন সবুজ আবির কিনে রাখতে। অর্থাৎ তিনি এদিন বুঝিয়ে দেন তৃণমূলই আবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ঘাটাল কারোর পৈতৃক সম্পত্তি নয়, ঘাটাল ঘাটালের মানুষের, তমলুক তমলুকের মানুষের, নন্দীগ্রাম (Nandigram) নন্দীগ্রামের মানুষের।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন ফের ‘শিরদাঁড়া’ নিয়ে দলত্যাগী নেতাদের তীব্র কটাক্ষ করেন । শুভেন্দুর গড় থেকে যুব তৃণমূল সভাপতির হুঙ্কার দেন, “সিবিআইয়ের ভয়ে অনেকে দল ছেড়েছে। কিন্তু সেই ভয়ে আমার শিরদাঁড়া বিক্রি হবে না।” শনিবার তাঁর রোড শো (Road Show) ছিল ঘাটালে। সেই ব়্যালি শেষে ঘাটালের বিবেকানন্দ মোড়ে বক্তব্য রাখেন অভিষেক। সেই ব়্যালি থেকে একদিকে যেমন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে তিনি আক্রমণ শানান তেমনই আবার দলত্যাগী নেতাদের নাম করেও তীব্র সমালোচনা করেন।

এদিন সাড়ে চার কিলোমিটার লম্বা রোড শোয়ের শেষে উপস্থিত দলীয় কর্মী ও সাধারণের মানুষের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যাঁরা বাংলার কৃতী মানুষজনের নাম জানেন না, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতি জানেন না, তাঁদের ভোট দেবে না বাংলা। পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫-০ হবে।” এদিন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের রাজ্যে এসে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের প্রসঙ্গ টেনেও তীব্র কটাক্ষ করেন তৃণমূলের এই যুব নেতা। অভিষেক বলেন, “সকাল বেলায় লোকের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে খাচ্ছেন ওঁরা। সকাল বেলায় কলাপাতার সঙ্গে দোস্তি করছেন, আর বিকেলবেলা পাঁচতারায় গিয়ে মস্তি করছ?”

এদিনের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) আক্রমণ করেন। মীরজাফর-বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করে তৃণমূল যুব নেতার বলেন , বাংলার আবেগ-বিশ্বাস, মেদিনীপুরের (Midnapur) মানুষের বিশ্বাস দিল্লির বুকে বিক্রি করে দিয়েছেন উনি। মানুষ ওনাকে ক্ষমা করবে না। এর জবাব দেবেন মেদিনীপুরের মানুষ। অভিষেকের অভিযোগ, “ইডি-সিবিআই (ED), (CBI) দেখিয়ে একজন-দুজনকে দলে টেনেছে বিজেপি (BJP)। ওঁরাও মানুষ আমিও মানুষ, তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়। আমাকে গলা কেটে দিলেও আমার মুখ দিয়ে জয় বাংলা বার হবে।”

রাজ্যে আটদফায় নির্বাচন (Assembly Election) ঘোষণা নিয়েও পরোক্ষে বিজেপি-র সমালোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “কার অঙ্গুলিহেলনে রাজ্যে ৮ দফায় ভোট হচ্ছে আমার সব জানা আছে। মেদিনীপুরের ৩১ আসনে ৩১ দফায় ভোট হলেও বিজেপির জামানত জব্দ হবে। বিশ্বাসঘাতকদের হারাতেই হবে।” প্রসঙ্গত, এদিন সাড়ে চার কিলোমিটার লম্বা ব়্যালি শেষ করতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে তৃণমূল নেতার। সভা থেকে অভিষেক এদিন “বাংলা নিজের মেয়েকে চায়”, স্লোগানটি সভায় উপস্থিত কর্মীদের ছন্দ করে কবিতার মতো পথ করান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.