নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার আগেই কর্ণাটকের বিধানসভা ভোট ও গণনার দিনক্ষণ জানিয়ে টুইট করেছেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ৷ তবে নির্বাচনের ফলাফলের দিনটি ভুল ছিল৷ এদিকে আবার সরকারি ভাবে নির্বাচন ঘোষণা করার আগেই সংবাদ মাধ্যমের একাংশ ভোট এবং ফলাফলের দিনের কথা জানাতে শুরু করে৷ তবে মালব্যকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি যুক্তি দেখান , ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেই তো দিনক্ষণ জানিয়েছে ফলে ওই তথ্য জনগণের কাছে এসে গিয়েছিল৷

নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে জড়ো হওয়া সাংবাদিকরা এদিন বিষয়টি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াতের কাছে উত্থাপন করেন৷ জানতে চাওয়া হয় এমন গোপন তথ্য কেমন করে একটি রাজনৈতিক দলের কাছে পৌঁছে গিয়েছে৷ জবাবে রাওয়ার জানান, বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে৷ তবে বিষয়টি আদৌ হাল্কা ভাবে নেওয়া হচ্ছে না, পুরোপুরি তদন্ত করা হবে বলে আশ্বাসও দেন৷ তবে মালব্যের ট্যুইটে ভোটের দিন ৎিক থাকলেও নির্বাচনের ফলাফলের দিনটি ভুল ছিল৷ পরে ওই ট্যুইটটি মুছে ফেলা হয়৷

এদিকে কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওলা মালব্যের ট্যুইটের প্রতিক্রিয়ার জানিয়েছেন, বিজেপি তো ‘সুপার ইলেকশন কমিশন’ তাই তো কর্ণাটকের নির্বাচনের সময় সূচি নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার আগেই তারা ঘোষণা করে দিচ্ছে৷ এরফলে নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে৷ পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, তবে কি এবার নির্বাচন কমিশন নোটিশ পাঠাবে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের কাছে এবং গোপন তথ্য ফাঁসের জন্য বিজেপি আইটি সেলের প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে৷

এদিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও পি রাওয়াত জানিয়েছেন, এক দফায় হবে কর্নাটক নির্বাচন৷ সাধারণ নির্বাচন হবে ১২ মে৷ ফল ঘোষণা ১৫ মে৷ কর্নাটকের বিধানসভায় সমস্যদের আসন সংখ্যা ২২৪ ৷ নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে৷ ২৪ এপ্রিল মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন৷ কোনও আবেদনকারী যদি নিজের নাম তুলে নিতে চায়, তাহলে তাকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে নাম তুলে নিতে হবে৷ নির্বাচনের সময় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনটি ভোটার ভেরিফিকেশন পেপার অডিট ট্রায়ালের সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলেও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।