ফাইল চিত্র

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: রাজ্য জুড়ে ১২ ঘন্টার বনধকে সফল করতে বোলপুরে নেমেছিলেন বিজেপি কাউন্সিলর বিকাশ মিশ্র, বিজেপি যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ছাড়াও বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা৷ কিন্তু অভিযোগ, সেই সময় বীরভূম জেলা পুলিশ বনধ সফল করতে আসা সকল বিজেপি নেতা, কর্মী, সমর্থক সহ মোট ১৩ জনকে আটক করে৷ বিজেপি নেতা কর্মীদের দাবি, শাসক দল দাবি করেছে জেলায় কোনও প্রকার বনধ হয়নি৷ তাহলে বিজেপির মোট ১৩ জনকে কেন আটক করা হয়৷

ইসলামপুরে গুলিতে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার বাংলা বনধের ঘোষণা করে বিজেপি৷ সেই মতো বীরভূম জেলা জুড়ে বনধের মিশ্র প্রভাব দেখা যায়৷ জনজীবন কিছুটা ব্যহত হলেও মোটের উপর পরিস্থিতি অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল৷ যাতে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য এলাকায় এলাকায় চলেছে পুলিশের টহলদারি৷ বনধকে প্রতিহত করার জন্য বীরভূম জেলায় ১৩ জন বিজেপি কর্মীকে আটক করে বীরভূম জেলা পুলিশ৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই ১৩ জনকে আটক করা হয়৷ মূলত বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধের চেষ্টা, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া সহ বেশ কিছু কারণে এদেরকে আটক করা হয়। পরে সকলকেই জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়৷ তবে পুলিশের এই কাজে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিজেপি দলের নেতা-কর্মীরা৷

এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, ‘‘বীরভূম জেলাতে বনধ সফল হয়েছে৷ মানুষ এই বনধকে সমর্থন করেছেন৷ যদিও কোথাও কোথাও তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পুলিশের সহায়তা নিয়ে জোর করে দোকান খোলার চেষ্টা করে৷ কিন্তু এত কিছু প্রচেষ্টার পরেও বিজেপির বনধ সফল হয়েছে৷ পুলিশ মিথ্যা অভিযোগে আমাদের নেতা-কর্মীদের আটক করেছে৷’’

অন্যদিকে তৃণমূলের সিউড়ি বিধানসভার বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কোথাও কোনও রকম বনধ হয়নি৷ মানুষ এই বনধকে কোনও ভাবেই সমর্থন করেনি৷ কোথাও কোথাও বিজেপির গুন্ডাবাহিনী জোর করে দোকানপাট বন্ধ করিয়ে দিয়েছে৷ ভাঙচুর চালিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়৷ আশা করব পুলিশ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷’’