স্টাফ রিপোর্টার, দিনহাটা: দশমীর রাতে এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটা মহকুমার সিতাই থানার অন্তর্গত ব্রহ্মত্তরচাতরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫৩৮ সিঙ্গিমারি গ্রামে। মৃত ব্যক্তির নাম রুহিদাস বিশ্বাস(৫০)। মৃত ব্যক্তি বিজেপি কর্মী বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক কারণ, নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতা, কী কারণে খুন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ রুহিদাস বিশ্বাস তাঁর ঘরের বিছানায় বসে ছিলেন। দুর্গাপুজো উপলক্ষে তাঁর বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছিল। হঠাৎ দুষ্কৃতীরা ঘরের দরজা থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তাঁর মাথা ভেদ করে গুলি বেরিয়ে যায়। তৎক্ষণাৎ পরিবারের লোকেরা তাকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার সকালে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কোচবিহার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে সিতাই থানার আইসি সৌর্যদীপ্ত ভট্টাচার্য, দিনহাটা থানার আইসি সঞ্চয় দত্ত ও দিনহাটার এসডিপিও মানবেন্দ্র দাস ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

এদিকে, নবমীর রাতে তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষকে খুনের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিনহাটা। জানা যায়, দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের (বি) ভিলেজ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ওই ব্যক্তির নাম মিঠুন রাজভর। নবমীর রাতে প্রতিমা দর্শনে বেরিয়েছিলেন তিনি।

একটু বেশি রাতেই বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেরার সময় সাতকুড়া এলাকায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয় তাঁর উপর। এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে মিঠুনবাবুকে। ঘাড়, গলা গুরুতর জখম হয় তাঁর। যন্ত্রণায় আর্তনাদ করতে শুরু করেন। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন মিঠুনবাবু। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাঁকে শিলিগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন তিনি। দিনহাটায় পরপর এধরণের ঘটনা ঘটায় রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।