সিউড়িঃ গত কয়েকদিন ধরে একের পর এক ধাক্কা বিজেপির। বাবা-ছেলের মুখে ঝামা ঘষে হাতছাড়া হওয়া একের পর এক পুরসভা ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। পর পর বিজেপির হাতছাড়া হয়েছে হালিশহর, কাঁচড়াপাড়া পুরসভা। যদিও মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশুর দাবি, আস্থা ভোটেই সমস্ত রাজনৈতিক সমীকরণ স্পষ্ট হয়ে যাবে। এবার খোদ অনুব্রত গড়ে ম্যাজিক দেখালেন কেষ্ট। বিজেপির হাত থেকে পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল তৃণমূল। গত কয়েকদিন আগে তৃণমূলের হাত পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিয়েছিল বিজেপি। এবার ফের পঞ্চায়তে সদস্যদের ‘ঘর-বাপসি’ ঘটিয়ে সিউড়ির কোমা পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বিজেপি।

সিউড়ির কোমা পঞ্চায়েত। ৭ আসন নিয়ে কোমা গ্রাম পঞ্চায়েত। গত ৪ তারিখ সিউড়ির কোমা পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান সহ ৫ সদস্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ মন্ডল। খোদ অনুব্রত গড়ে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধিতে যথেষ্ট চাপ বেড়েছিল তৃণমূলের।

অনেকেই মুকুল-দিলীপের এহেন রণকৌশলকে মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখেছিল। কিন্তু সময় ঘুরতে না ঘুরতেই সেই কেষ্টা গড়ে খেলা ঘোরাল শাসকদল তৃণমূল। প্রধান, উপপ্রধান সহ যে ৫ জন সদস্য বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন, তাঁরাই আজ আবার তৃণমূলে যোগদান করেন। জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে এদিন ফের তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন প্রধান উপপ্রধান সহ ৫ জন সদস্য।

তৃণমূলের দাবি, ভয় দেখিয়ে সমস্ত কর্মীদের বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ-প্রশাসনে ভরসা পাওয়ার পরেই ফের তাঁরা তৃণমূলে ফিরে এসেছে বলে দাবি তৃণমূলের। যদিও বিজেপির দাবি, ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পঞ্চায়েত সদস্যদের। সরকার পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে এমন কাজ করছে বলে দাবি বিজেপির।