নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেতে চেষ্টার কসুর করছে না বিজেপি। ইতিমধ্যেই একাধিক দাপুটে নেতা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছে। এসবের মাঝেই জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপি যদি ক্ষমতায় আসে তবে তারা কাকে মুখ্যমন্ত্রী করবে? জল্পনায় উঠে আসছে অনেকেরই নাম। কিন্তু বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ তারা সামনে আনবে না। অর্থাৎ যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে তবে কে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন, তা আপতত ধোঁয়াশাই।

সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানান, যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা দলের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। “পশ্চিমঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন করেনি। যে সব রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় নেই, আমরা সে রাজ্যগুলিতে মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী ছাড়াই লড়াই করছি। হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও অসম এর উদাহরণ। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেও কোও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ দেখানো হবে না। সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার পর দলের নেতারা ও বিধায়করা মিলে ঠিক করবেন কে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন।” বলেন বিজয়বর্গীয়।

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী পদে যেই বসুন না কেন বাংলার উন্নতির দিকে তাঁর নজর থাকবে। বিজেপি জিতলে পশ্চিমবঙ্গ ভাল শাসনব্যবস্থা পাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচনের প্রাক্কালে বহু তৃণমূল নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এ নিয়ে বিজয়বর্গীয় বলেছেন, একমাত্র সেই সব নেতাদেরই দলে আহ্বান জানানো হয়েছে যাঁরা বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখেন এমন মনে করেন তাঁর জমানায় উন্নতি হয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর যাঁরা অখুশি তেমন মানুষও তাঁদের দলে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু গরুপাচার, আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত এমন কাউকে বিজেপি অভ্যর্থনা জানায়নি বলে জানান বিজয়বর্গীয়।

এরপরই মমতার সরকারকে একহাত নেন তিনি। বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার হিংসার সঙ্গে সমার্থক। তাঁর শাসনকালে বিজেপি কর্মীরা প্রতিদিন খুন হচ্ছেন বা আহত হচ্ছেন। তিনি রাজ্যকে নৈরাজ্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বিজেপি এমন এক সরকার তৈরি করবে যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের মতো ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা করবে। ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির কলকাতায় আসার কথা আছে। নেতাজির জন্মদিনে পরাক্রম দিবস উপলক্ষে তিনি ভিক্টোরিয়া হলে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। নেতাজির ১২৫তম জন্মদিবস সেদিন বড় করে উদযাপন করা হবে বলেও জানান বিজয়বর্গীয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।