নয়াদিল্লি: শেষ দফাতেও সংঘর্ষ জারি পশ্চিমবঙ্গে। একাধিক জায়গা থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। আগামিদিনেও এই হিংসা জারি থাকবে বলে আশঙ্কা করছে বিজেপি। এই আশঙ্কাতেই আপাতত কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাতে চাইছে না বিজেপি।

শেষ দফার ভোটের দিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ বলেন, ‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই ধমক দিয়ে আসছে। তাই আমাদের ভয় ভোট শেষ হলেই তৃণমূল হত্যালীলা শুরু হয়ে যাবে।’

এই আশঙ্কা প্রকাশ করে সীতারামণ বলেন, ‘আমরা চাই, ভোট শেষ হয়ে গেলেও পশ্চিমবঙ্গে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে।’

বাংলায় বারবার সন্ত্রাসের অভিযোগ জানিয়ে এসেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বাংলায় এসে তৃণমূলের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে। এমনকি মোদী ও অমিত শাহের যৌথ সাংবাদিক বৈঠকেও অমিত শাহ জানান, গত দেড় বছরে অন্তত ৮০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, শেষ দফায় দেগঙ্গা নুরনগর পঞ্চায়েতর ৯০ নম্বর বুথের এক বিজেপি কর্মীকে মাথায় বাঁশের বাড়ি মারার অভিযোগ। মাথায় গভীরর ক্ষত। শক্তি ঘোষ নামে ওই ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উত্তর কলকাতা কেন্দ্রের ১৭৬ নম্বর বুথের বিজেপি এজেন্ট বাবু দাসকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ প্রার্থী রাহুল সিনহার৷ কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া, বজবজে ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায়ের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে৷ সেখানেও অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।