স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সম্প্রতি মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণত অন্য কোনও রাজনৈতিক দলকে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসার অনুমতি দেওয়া হয় না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বসার পর এবার সেখানেই ধর্নায় বসতে চাইছেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি।

একদিকে পুলিশের অনুমতি ছাড়াই সোমবার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসতে চলেছে প্রদেশ যুব কংগ্রেস৷ এর মধ্যে আবার ধর্নায় বসার জন্য অনুমতি চাইল রাজ্য বিজেপি। আগামী ২১,২২ ও ২৩ তারিখ ধর্নায় বসতে চান তাঁরা। সোমবার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

গণতন্ত্র বাঁচানোর আবেদন জানিয়ে ধর্নায় বসতে চাইছে বিজেপি। তাদের তরফে কলকাতা পুলিশ ও কলকাতা পুরসভার আছে আবেদন জানানো হয়েছে।

শিলিগুড়ির মেয়র তথা বাম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্যও কিছুদিন আগেই হুমকি দিয়েছিলেন ধর্নায় বসবেন মেট্রো চ্যানেলে। তাঁর দাবি, তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার শিলিগুড়ি পুরসভাকে নায্য প্রাপ্য দিচ্ছে না। আর সেটা শুধুই অগণতান্ত্রিক নয়, সংবিধান-বিরোধীও বটে। একদিকে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান বাঁচাতে ধর্নায় বসছেন, অন্যদিকে তখন এই বাম নেতারও দাবি, তিনিও সংবিধান-সংকটের মুখোমুখি হয়েই এই ধর্নায় বসতে চান।

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের অপব্যবহার ও চিটফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরতের দাবিতে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেট্রো চ্যানেলে ধর্না কর্মসূচী ছিল যুব কংগ্রেসের। অনুমতি চেয়ে লালবাজারের কাছে আবেদন করেন তাঁরা। রাস্তা আটকে কর্মসূচি পালন করা হবে না বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন তাঁরা৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও যুব কংগ্রেসের আবেদন গ্রাহ্য করেনি লালবাজার৷

কলকাতার পুলিশের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে প্রদেশ যুব কংগ্রেস৷