গান্ধীনগর: কংগ্রেসের কৃষিঋণ মকুবের ঘোষণায় বেকায়দায় বিজেপি৷ কৃষকদের মন জয় করেই একের পর এক রাজ্য বিজেপির কাছ থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছেন রাহুল গান্ধী৷ গ্রামীণ ক্ষেত্রে উত্তরোত্তর জনপ্রিয়তা বাড়ছে কংগ্রেসের৷ এই অবস্থায় গ্রামীণ ভোটারদের মন পেতে জনমোহিনী ঘোষণা গুজরাতের বিজেপি সরকারের৷

মঙ্গলবার গুজরাতের বিজয় রূপানি সরকারের ঘোষণা, তারা বিদ্যুত বিলে মোটা টাকা ছাড় দেবেন৷ তবে এই ছাড়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে৷ সবাই বিদ্যুত বিলের ছাড়ে সুবিধা পাবেন না৷ তারপরেও গুজরাত সরকারের এই ঘোষণায় অন্তত ৬ লক্ষ ২২ হাজার উপভোক্তা উপকৃত হবেন৷ এর জন্য সরকারের ঘাড়ে অতিরিক্ত ৬২৫ কোটি টাকা ব্যয় ভার চাপবে৷ রাজ্যের শক্তি বিষয়ক মন্ত্রী সৌরভ প্যাটেল জানান, বিদ্যুত চুরি বা বিল না মেটানোয় গ্রামীণ এলাকার অনেক বাড়িতে বিদ্যুত সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ সরকারের এই সিদ্ধান্তে গ্রামীণ এলাকার সব মিলিয়ে ৬.২২ লক্ষ গ্রাহক উপকৃত হবেন৷

অপরদিকে আরও এক বিজেপি শাসিত রাজ্য অসম কৃষি ঋণ মকুবের ঘোষণা করেছে৷ রাজ্য সরকারের ঘোষণা এর ফলে রাজ্যের আট লক্ষ কৃষক উপকৃত হবেন৷ মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের পর অসম তৃতীয় রাজ্য যেখানে কৃষি ঋণে ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে৷

গুজরাত ও অসম সরকার এমন সময়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যখন একাধিক রাজ্যের কংগ্রেসী সরকার কৃষিঋণ মকুব করছে৷ মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ২ লক্ষ টাকা অবধি কৃষি ঝণ মকুবের ঘোষণা করেন কমল নাথ৷ একই পথে হাঁটে ছত্তিশগড়৷ রাজস্থানেও কৃষিঋণ মকুব করা হবে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস৷ কৃষকদের দুরাবস্থার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷

তোপ দেগে বলেন, কেন্দ্রে সাড়ে চার বছর মোদী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে৷ অথচ কৃষকদের ঋণ মকুব করা হয়নি৷ মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস সহ বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করবে কৃষি ঋণ মকুব জন্য৷ বিরোধীদের আন্দোলনে রাতের ঘুম উড়ে যাবে গেরুয়া শিবিরের নেতাদের৷