তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: আগুন নেভানোর যে ব্যবস্থা তা প্রায় কিছুই নেই। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি ডাঃ সুভাষ সরকার।

এদিন ডাঃ সুভাষ সরকারের নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন। কথা বলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও। তাঁর আরও অভিযোগ, হাসপাতালের করিডোরে যে কটি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র লাগানো আছে৷

তা সাধারণ ছোটো খাটো খাটো রেস্টুরেন্টে লাগানো থাকে। একই সঙ্গে ‘স্প্রিংলার সিস্টেম’ অফিসে লাগানো থাকলেও কলেজের কোথাও নেই বলে তিনি অভিযোগ করেন। হোস পাইপ, রিজার্ভার, পাম্প হাউস অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে বলে তিনি জানান। এছাড়াও কেন্দ্র সরকার স্বাস্থ্য খাতে টাকা দিলেও রাজ্য সরকার তা খরচ না করে ফেলে রেখেছে।

হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার গৌতম নারায়ণ সরকার জানান, হোর্স পাইপ লাগানোর কাজ চলছে। গোবিন্দ নগর ও লোকপুর দু’জায়গাতেই সমানভাবে কাজ চলছে। প্রায় আশি শতাংশ এই কাজ শেষ হয়েছে৷ আমরা সতর্ক আছি।

অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র চালানোর বিষয়ে যেমন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোক আছেন৷ তেমনি দমকল দফতরের কর্মীরাও সতর্ক আছেন। রিজার্ভার তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পাম্প লাগানো হয়েছে। এরপরেও কোন দুর্ঘটনা ঘটলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।