স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি: বাউল-কীর্তনিয়াদের পর এবার বাংলার আদিবাসী ভোট ব্যাংক নিজেদের দিকে টানতে তৎপর হল গেরুয়া শিবির৷

সূত্রের খবর, অমিত শাহের নির্দেশে ইতিমধ্যেই ভাদু পুজো, টুসু পরবের মতো আদিবাসীদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে আদিবাসীদের গেরুয়া ছত্রছায়ায় আনার তৎপরতা শুরু হয়েছে৷ উদ্দেশ্য একটাই, ২০১৯ সালে লোকসভায় বাংলা থেকে অভূতপূর্ব ফলাফল করা৷

এর আগে রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, কিংবা রথযাত্রার পরে এবার বড় করে শিবরাত্রি পালনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হিন্দুত্ব ভোটকে এককাট্টা করতেই গেরুয়া শিবিরের এই কৌশল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷ ওই মহলের মতে, বাকুঁডা, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমের মতো জেলায় যথেষ্ট আদিবাসী ভোট ব্যাংক রয়েছে৷ স্বভাবতই, ভাদু-টুসুর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে আদিবাসীদের কি কি অনুষ্ঠান রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে তালিকা তৈরির নির্দেশ এসেছে দিল্লির সদর দফতর থেকে৷ খোদ অমিত শাহের নির্দেশেই শুরু হয়েছে এই তৎপরতা৷

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর, ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন মিটলেই বাংলার মাটিতে পা রাখবেন সর্বভারতীয় সভাপতি৷ সেখানেই আদিবাসীদের উৎসবগুলি পালন করা নিয়ে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করবেন তিনি। আদিবাসীদের উৎসব পালনে জোর দিয়ে রাজ্যের আদিবাসী তথা দলিত ভোটব্যাঙ্ককে সুনিশ্চিত করাটাই এখন লক্ষ্য বঙ্গ গেরুয়া শিবিরের৷

তবে টুসু পরব যেহেতু শীতকালীন উৎসব তাই এই মুহুর্তে টুসু পরব করা সম্ভব নয়৷ কিন্তু ভাদ্র মাসের শুরুতেই গ্রামাঞ্চলে আদিবাসীদের মধ্যে ভাদু পুজোর চল রয়েছে৷ স্বভাবতই ভাদু পুজোকে সামনে রেখেই রাজ্যের দলিত ভোট ব্যাংক নিজেদের দিকে টানার প্রক্রিয়া শুরু করছেন বঙ্গের বিজেপি নেতারা৷

রাজনৈতিক মহলের মতে, বাউল-কীর্তনিয়ার মাধ্যমে ইতিমধ্যেও গ্রামাঞ্চলের লোক সংস্কৃতি শিল্পী ও হিন্দু ভোট ব্যাংককে নিজেদের দিকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে গেরুয়া শিবির৷ এবার আদিবাসী ভোট ব্যাংকেও থাবা বসিয়ে শাসকদলকে চাপে রাখতে মরিয়া বিজেপি৷

দলের রাজ্যস্তরের এক নেতার কথায়, ‘‘সাম্প্রতিক প্র্তিটি নির্বাচনের ফলাফল থেকেই স্পষ্ট সিপিএম বা কংগ্রেস নয় এই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসছে বিজেপি৷ উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে শাসকের হাজারো হুমকির মাঝেও যেভাবে প্রায় ৩ লক্ষ ভোটার বিজেপিতে আস্থা রেখেছেন তাতে স্পষ্ট- বাংলার একটা বড় অংশের ভোটার বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন৷ আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে দলের ছত্রছায়ায় আনতে তাই এই উদ্যোগ৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।