স্টাফ রিপোর্টার, চুঁচুড়া: পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়াল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলী জেলার সিমলাগড় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন ঘিরে।

সিমলাগড় পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ২২টি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১১টি পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে নয়টি আসন। সিপিএম এবং নির্দল একটি করে আসন পেয়েছে। ঘাস ফুল বা জোড়া ফুল কেউি ম্যাজিক ফিগার ১২টিতে পৌঁছাতে পারেনি।

আরও পড়ুন- তৃণমূলে নাম লেখাতেই মেয়ের চাকরি, দুর্নীতির অভিযোগ পরেশের বিরুদ্ধে

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কিন্তু জয়ী প্রার্থীকে নিয়ে বোর্ড গঠন করতে যায় বিজেপি। দল ভাঙার খবর পেয়ে আসরে নামে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই দিন সকাল ১১টা নাগাদ তৃণমূলের জয় হিন্দ বাহিনীর সঞ্জয় দাস এবং রবি দাসের নেতৃত্বে সিমলাগড় পঞ্চায়েতের সামনে হাজির হয় একদল তৃণমূল কর্মী-সমর্থক।

আরও পড়ুন- পুলিশের সামনেই গণপ্রহারের শিকার বাইক চোর বিট্টু আলি

ওই সময়েই পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করার জন্য উপযুক্ত সদস্যদের নিয়ে পঞ্চায়েতের সামনে হাজির হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শ্যামল বিশ্বাস। সেই সময়েই দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের গুণ্ডা বাহিনী তাদের উপরে লাটি এবং বন্দুক নিয়ে চড়াও হয়েছিল। ওই ঘটনায় জখম হয়েছেন বিজেপি নেতা জগবন্ধু মৃধা , শ্যামল বিস্বাস, সজল বালা এবং বাসুদেব বনিক। এদের মধ্যে অরথম দুই জনের জখম মারাত্মক। তাঁদের প্রথমে পাণ্ডূয়া হাসপাতালে ভরতি করা হলেও পরে চুঁচুড়া হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

আরও পড়ুন- NRC তালিকায় ১২০০ কোটি টাকা জলে দিয়েছে বিজেপি: কংগ্রেস

সমগ্র ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন হুগলী জেলা(সাংগঠনিক) বিজেপির নেতা সুরেশ সাউ। তিনি বলেছেন, “অস্তিত্বের সঙ্কট বুঝেই এই ধরণের কাজ করছে তৃণমূল। বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল ২০১১ সালে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেছে। কিন্তু বামেদের সঙ্গে তৃণমূল এখন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে চলছে। আমরা সেই সুযোগ তৃণমূলকে দেব না।” ক্ষমতায় এলে সব সুদ সমেত ফেরত দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সুরেশবাবু।