বর্ধমান (পূর্ব বর্ধমান): জেলায় প্রথম ৮টি আসনের নির্বাচন শেষ হতেই রবিবার দুপুর থেকে ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষ বর্ধমানে। শহরের কাঞ্চননগর রথতলায় তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হচ্ছে। তবে নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটলেও সব ভোটকেন্দ্র ছিল নিরুপদ্রব।

আরও খবর পড়ুন – পশ্চিমবঙ্গের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত, তাই করোনা নিয়ে তাঁর চিন্তা নেই : উদ্ধব ঠাকরে

ভোট মিটতেই শহরের কাঞ্চননগরের রথতলা, বকুলতলা, বেলপুকুর, নুনগোলা, পোদ্দারপাড়া প্রভৃতি এলাকায় সংঘর্ষ বড় আকার নেয়। রেল স্টেশন লাগোয়া লক্ষ্মীপুর মাঠে বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকে কাঞ্চননগর এলাকায় সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি উভয়েই উভয়ের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।

তৃণমূলের অভিযোগ, ৪টি বাইকে আগুন ধরিয়ে দেয় বিজেপি সমর্থকরা। পরে এক বিজেপি সমর্থক বাইক নিয়ে যাবার সময় তাকে বেধড়ক মারধর করার পর তাঁর বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙচুর, দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।

আরও খবর পড়ুন – আলিয়ার সঙ্গে বলিউড ডেবিউ করতে চলেছেন টেলিভিশন তারকা পার্থ সামন্থন

কাঞ্চননগর রথতলা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা বিজেপি কার্যকর্তাদের বাড়ি বাড়ি ব্যাপক হামলা চালায়। ভাঙচুর করা হয় একাধিক বাড়ি। এমনও অভিযোগ। এই হামলার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে হাজির হয় বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ, রাফ। হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি ইফতিকার আহমেদ ওরফে পাপ্পু সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি সমর্থকদের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই আটক করেছে।

রবিবার দুপুর থেকে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের রেশ ছড়ায়। শনিবার লক্ষ্মীপুরে যে সংঘর্ষ হয় তার জেরে রবিবারও পরিস্থিতি সরগরম। আক্রান্ত হন টিএমসি প্রার্থী খোকন দাস। বিজেপির কয়েকজন নেতাও টিএমসির হাতে মার খান। শহরবাসীর অভিযোগ, বিজেপি ও টিএমসির মধ্যে সংঘর্ষ বর্ধমানের শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রশাসনকে বলেও কাজ হচ্ছে না।

আরও খবর পড়ুন – করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে ব্যর্থ “দাম্ভিক”, উদাসীন” কেন্দ্রীয় সরকার : সোনিয়া গান্ধী

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.