কলকাতা: আমহার্স্ট স্ট্রিটে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ পরিস্থিতি। যার জেরে রণক্ষেত্রে হয়ে উঠল এলাকা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অর্জুন সিংয়ের কনভয়ের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি প্রথম হামলা চালায়।

এদিনের রোড শো তে হাজির ছিলেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁদের কালো পতাকা ও ঝাঁটা দেখানো হয়। সংঘর্ষের জেরে অর্জুন সিংয়ের কনভয়ের গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন – পয়লা মার্চ থেকে ভ্যাকসিন পাবেন ষাটোর্দ্ধরা : কেন্দ্র

পুরো ঘটনায় অশান্ত হয়ে ওঠে আমহার্স্ট স্ট্রিট। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি নেতারা। আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার কাছেই এই সংঘর্ষের পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতারা।

রোড শো তে এই পরিস্থিতির পর তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন ‘শান্তিপূর্ণ মিছিলে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ পুলিশের সামনেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। অন্যদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে। দাবি করা হচ্ছে, সিটি কলেজে, সেন্ট পলস কলেজের সামনে পুলিশ এই লাঠিচার্জ করে।

আরও পড়ুন – প্রাণীদের দ্রুত অভিযোজনেই লুকিয়ে অস্তিত্ব রক্ষার চাবিকাঠি : সমীক্ষা

উল্লেখ্য, এদিন সন্ধ্যায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পাশেই লেবুতলায় বিজেপির যোগদান মেলা রয়েছে। সেই কারণে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীদের নেতৃত্বে আমহার্স্ট স্ট্রিটের হৃষিকেশ পার্ক থেকে থেকে রোড শো করা হয়। সেই রোড শো ঘিরেই পরিস্থিতি ধুন্ধুমার হয়ে ওঠে।

জানা গিয়েছে, বিজেপির যোগদান মেলায় পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন প্রাক্তন বাংলার ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। কিন্তু অন্যদিকে আজ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। তাঁরা দুজনে খুবই ভালো বন্ধু, একসঙ্গে খেলেছেন বহুদিন। কিন্তু এদিন আলাদা আলাদা রাজনৈতিক দল বাছলেন দুজনে।

আরও পড়ুন – আদালতে মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রাকেশ সিংয়ের

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।