কলকাতা: কাঁচরাপাড়া পুরসভার ৯ জন কাউন্সিলরের পাশাপাশি এ দিন তৃণমূলে ফিরে এসেছেন আরও একজন। তিনি হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যান সুদামা রায়। সবাইকে জোর করে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন অভিষেক। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ভুল তথ্য দিয়ে লিস্ট লম্বা করা বিজেপির স্বভাব। বিজেপি দলবদলের জন্য বিধায়কদের ভয় দেখাচ্ছে ও চাপ সৃষ্টি করছে।

কাঁচড়াপাড়ার কাউন্সিলররা ফেরায় পুরসভা পুনর্দখল ফের নিশ্চিত করল তৃণমূল। আগেই ফিরেছিলন দলছুট পাঁচ কাউন্সিলর। এবার আরও ৯ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরছেন। সেই দলে রয়েছেন কাঁচড়াপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুদামা রায় ও ভাইস চেয়ারম্যানও।

শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কাঁচরাপাড়া পুরসভায় মোট আসন ২৪। তৃণমূলের ২২ জন কাউন্সিলর ছিলেন। ৫ জন ছাড়া ১৭ জনই বিজেপিতে যোগদান করেছিল বলে ওরা দাবি করেছিল। সেই ১৭ জনের মধ্যে গত ৯ জুলাই ৫ জন তৃণমূলে ফেরেন। আজ আরও ৯ জন ফিরলেন তৃণমূলে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন একজন নির্দল। অর্থাৎ, এখন কাঁচরাপাড়ায় তৃণমূলের হাতে ১৯ জন কাউন্সিলর। আমরাই বোর্ড দখল করলাম’’। হালিশহর পুরসভাও তৃণমূলের দখলে বলে দাবি করেছেন অভিষেক।

অন্যদিকে, রাজনীতির চেনা চাণক্য মুকুল রায় বলেন, তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের ১০৭জন বিধায়ক বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছেন। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে মুকুল রায় বোমা ফাটালেও ওই কাগজে কাদের নাম আছে তা নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি।

মুকুল রায়ের এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন, ‘নিজের পাড়ার দশজন কাউন্সিলরকে যিনি ধরে রাখতে পারেন না, তিনি আবার একশো সাতজন বিধায়কের দলবদলের কথা বলছেন। নৈতিকতা থাকলে অন্য দলের বিধায়কের সঙ্গেই উনি কথা বলতেন না।’ পাশাপাশি মমতা বাহিনীকে কার্যত চ্যালেঞ্জের সুরে মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশুর মন্তব্য, ‘‘খেলা অনেক বাকি রয়েছে’’।